অধিকার ও সত্যের পক্ষে

ব্যবসা-বাণিজ্যে ডিজিটাল রূপান্তর অনিবার্য: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

 নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

বসা-বাণিজ্য ও কল-কারখানায় ডিজিটাল রূপান্তর অনিবার্য বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

বুধবার বাংলাদেশ ডাক অধিদফতরের সদর দফতরে ই-ক্যাবের সহযোগিতায় ৬৪টি জেলা পোস্ট অফিসের ডিজিটাল কমার্স সেবা ই-পোস্ট চালু উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মোস্তাফা জব্বার এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘ই-কমার্স নামে কোনো কিছু বিকশিত হবে, গত তিন বছর আগেও তা ছিল কল্পনার বাইরে। সাধারণ মানুষের সাথে ই-কমার্সের সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়টিও ছিল অচিন্তনীয়।’

ই-কমার্সের বিকাশে ট্রেড বডিগুলোর অবদান তুলে ধরে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে। তার তিন মেয়াদে ১৫ বছরের শাসনকাল ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবের অগ্রযাত্রা জাতির বিস্ময়কর এক অর্জন। প্রযুক্তিতে ৩২৪ বছর পিছিয়ে থেকেও বাংলাদেশ পৃথিবীতে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের নেতৃত্ব দিচ্ছে।’

দেশের তৃণমূল পর্যন্ত ডাক বিভাগের সুবিস্তৃত অবকাঠামো কাজে লাগাতে ডাক অধিদফতরকে আধুনিকায়নের আবশ্যকতার ব্যাখ্যা করেন মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় ডাক বিভাগের দুর্বল জায়গাগুলো অতিক্রম করার কাজ শুরু হয়েছে। ডাককে ডিজিটাল ডাকে রূপান্তর করা সময়ের ব্যাপার মাত্র।’

মন্ত্রী ডাক অধিদফতরকে ডিজিটাল ডাকে রূপান্তর করার জন্য এর সঙ্গে সম্পৃক্ত জনবলকে উপযোগী করে তৈরি করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ।

দেশে ডিজিটাল অবকাঠামো সম্প্রসারণে গৃহীত কর্মসূচির বর্ণনা দিয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘২০২১ সালের মধ্যে এমন কোনো বাড়ি থাকবে না, যেখানে দ্রুতগতির ইন্টারনেট পৌঁছাবে না। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ফাইভজি যুগে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সাথে সমান্তরালে প্রবেশ করবে। সরকার সে লক্ষ্যে কাজ করছে।’

ডাক অধিদফতরের মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, ই-ক্যাব সভাপতি শমী কায়সার ও সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল ওয়াহেদ তমাল বক্তব্য দেন।

একই ধরনের আরও সংবাদ