অধিকার ও সত্যের পক্ষে

কলেজ ছাত্রী তরনীর হত্যাকারী ধর্ষক শাহীনের ফাঁসির দাবি!

 নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

কুষ্টিয়ার খোকসা সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের মেধাবী ছাত্রী সুমাইয়া তরনীর আত্মহননের প্ররোচনাকারী ধর্ষক শাহীনের ফাসিঁর দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানবব্ন্ধন করেছে ঢাকাস্থ খোকসার শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ধর্ষক ও লম্পট শাহীনের সুষ্ঠ বিচার দাবিতে মানববন্ধনে অংশ নেন খোকসা উপজেলা কল্যাণ সমিতি ঢাকার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদ নাহিদ জামান, মোহনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার ও কুষ্টিয়ার সময়ের সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনি,শিবলী রেজা সেলিম, খোকসা স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের উপদেষ্ঠা হাসান মাহমুদ বাবু, খাইরুল ইসলাম, ইশতিয়াক মাহমুদ সুরুজ,সহ-সভাপতি সোহেল তানভীর তাজ, শের নাঈম, অর্থ-সচিব মাশরুর গালিব, কামরুজ্জামান বাপ্পী, অনিক, চন্দনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনটির নেতৃত্ব দেন খোকসা স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন ঢাকার উপেদষ্ঠা খাইরুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ বাবু। অনুষ্ঠেয় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী খাইরুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ সহ প্রমুখ।

মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে দ্রুত ট্রাইবুনাল আইনে বিচার নিশ্চিতের দাবী জানিয়ে বলেন, ধর্ষক শাহীনের মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করে তা মডেল হিসেবে তৈরি করতে হবে যাতে অন্য কেউ এমন বীভৎস কাজ করার সাহস  না করে। নেতৃবৃন্দ নিহত ছাত্রীর পরিবারের আর্থিক ক্ষতি পূরণের দাবীও জানান।

উপজেলার কমলাপুর গ্রামের মকবুল হোসেন মজনুর ছেলে শাহীন প্রভাবশালী হওয়ায় পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানালে সাধারণ মানুষের তোপের মুখে মামলা নিতে বাধ্য পুলিশ। যার মামলা নং ৫, তাং ৬/১০/২০১৮। ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে খোকসা থানায় মামলাটি করেন তরনীর বাবা আজমল হোসেন।

গত ৪ অক্টোরব বিকালে ঐ ছাত্রী সুইসাইড নোটে শাহীনকে দোষী করে আত্মহত্যা করে। বিজ্ঞান শাখার প্রথম বর্ষের মেধাবী ছাত্রী সুমাইয়া তরনী অসুস্থ খালাকে দেখতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া জেলা শহরে যাওয়ার জন্য দূর সম্পর্কের আত্মীয় শাহীনের সাথে মোটরসাইকেলে রওনা হয়। শাহীন তাকে পদ্মা নদীর চরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় বুধবার লম্পট শাহীন আত্মসমপর্ণ করলে তকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সোলাইমান হোসেন বলেন, আসামি শাহীনের সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত আদালতে শুনানি হয়নি। শুনানি হলে মহামান্য আদালত যেটা সিদ্ধান্ত দেবে সেটাই হবে।

একই ধরনের আরও সংবাদ