অধিকার ও সত্যের পক্ষে

বাকৃবিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ইলিশের জীবনরহস্য ঘোষণা

 বাকৃবি প্রতিনিধি

সারাবিশ্বে প্রথমবারের মতো ইলিশের জীবন রহস্য আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলী আকবর। প্রথমবারের মতো ইলিশের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকেয়েন্সিং এবং ডি নোভো এসেম্বলী সম্পন্ন শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আবিষ্কারের সহযোগী গবেষক অধ্যাপক ড. মুহাঃ গোলাম কাদের খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলী আকবর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জসিমউদ্দিন খান, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. গিয়াস উদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদসহ ইলিশের জীবনরহস্য উন্মোচনকারী গবেষকবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক ও বৈজ্ঞানিকবৃন্দ। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. মো. সামসুল আলম ও সহযোগী গবেষক অধ্যাপক ড. মোঃ বজলুর রহমান মোল্যা।

এসময় গবেষকরা বলেন, আমরা ১০ সেপ্টেম্বর আবিষ্কারটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষনা করার জন্য অনেকদিন যাবত কাজ করছি। যখনই আমরা অনুষ্ঠান আয়োজনের তারিখ নির্ধারন করলাম দেখা গেল অন্য কেউ একটিমাত্র জাতীয় দৈনিকে তাড়াতাড়ি একটা প্রতিবেদন ছাপালো। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। একই বিষয়ে অনেকে একই সময়ে গবেষনা করতেই পারে। আমাদের গবেষণাটি অনেক আগে সম্পন্ন করেছি এবং বিভিন্ন স্থানে তার প্রমান রয়েছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গ্রান্ড কমিশনের একটা সুপার কম্পিউটার আছে যা অনেকেরই অজানা যেটা আমাদের গবেষণায় ব্যাপক সহায়তা করেছে। একটি প্রথম সারির দৈনিক পত্রিকা উল্লেখ করেছে আমাদের দেশে এ সক্ষমতা নেই যা ভুল তথ্য।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আবিষ্কারের এটা মাত্র সূচনা ঘটেছে। আবিষ্কারটি বুঝতে ও সফলতা পেতে আমাদের আরো সময় লাগবে। আমাদের এর সুফল পেতে আরো ধারাবাহিক গবেষনা করা প্রয়োজন। ইলিশ রক্ষায় অনেক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে যেমন অভাশ্রয়ম প্রতিষ্ঠা, নির্দিষ্ট সময়ে ইলিশ আহরন নিষিদ্ধ ঘোষনা ইত্যাদি এটা সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে হচ্ছে কিনা এমন অনেক বির্তক রয়েছে, ইলিশ নদীতে কেন আসে আবার প্রজননের পর আদৌ সাগরে ফিরে যায় কিনা এমন অনেক তথ্যই এখন আমরা জানতে পারবো এই আবিষ্কারের তথ্যকে কাজে লাগিয়ে। এই আবিষ্কারের ফলে দেশের সুনাম আর্ন্তজাতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

একই ধরনের আরও সংবাদ