অধিকার ও সত্যের পক্ষে

ভারতে কলেজ ছাত্র বন্যাদুর্গতদের জন্য দান করলেন দেড় লক্ষ টাকা

 কলকাতা প্রতিনিধি।।

ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিতে কেরলবাসী শোচনীয় অবস্থার সম্মুখীন। কেন্দ্রীয় সরকার ও অন্যান্য প্রতিবেশী রাজ্যগুলির পাশাপাশি বন্যাদুর্গতদের সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন বহু সাধারণ মানুষ। তাঁদের মধ্যেই রয়েছেন ২১ বছরের কলেজছাত্রী হানান। কোচির বাসিন্দা হানান মাছ বিক্রি করে তাঁর পড়াশোনার খরচ চালান। কিন্তু তিনিই মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দেড় লক্ষ টাকা দান করেছেন। থোড়ুপুড়ার এক বেসরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের এই ছাত্রীর জীবন সংগ্রাম নিয়ে সম্প্রতি এক সংবাদপত্রে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। তারপরই তাঁকে সাহায্য করতে বহু মানুষ দান করেন। সেই দানের টাকাই তিনি বন্যাদুর্গতদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দিয়েছেন।

হানান ছাড়াও অনেক সাধারণ মানুষই কেরলের দুর্গতদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এরকমই একজন হলেন সজিশ। তিনি প্রয়াত নার্স লিনি পুথুসেরির স্বামী। কয়েক মাস আগে হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হন লিনি। বেশ কয়েকদিন যমে-মানুষে টানাটানির পর তিনি মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর সজিশকে কেরল সরকার চাকরি দেয়। সজিশ তাঁর প্রথম মাসের বেতনের ২৫ হাজার টাকা দান করেছেন। এছাড়া কান্নুর জেলার থালাসেরির বাসিন্দা ৬৮ বছরের রোহিনী ত্রাণ তহবিলে এক হাজার টাকা দান করেছেন। আশ্চর্যের বিষয় তিনি প্রতি মাসে মাত্র ৬০০ টাকা পেনশন পান। তার মধ্যে থেকেই জমিয়ে তিনি হাজার টাকা দান করেছেন। হানান, সজিশ, রোহিনীর মতো আরও অনেকে বন্যাদুর্গতদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপ, পড়ুয়া মহল, অভিনেতা এবং বিভিন্ন এনজিও ত্রাণ তহবিলে দান করছে বলে জানা গিয়েছে।

একই ধরনের আরও সংবাদ