অধিকার ও সত্যের পক্ষে

চবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ

 চবি প্রতিনিধি

কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে চলা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নের অভিযোগ উঠলেও গতকাল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) এর ব্যতিক্রম দেখা গেছে। চবি শিক্ষার্থী রবিউল আলম গত বুধবার শাটল ট্রেনে দুই পা হারানোর জেরে গতকাল বৃহস্পতিবার শাটল ট্রেনের বগি বৃদ্ধিসহ ৭ দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল ছাত্রলীগ।

দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও মিছিল সমাবেশ করেন। তাদের সঙ্গে যোগ দেন চবি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভ মিছিলের সময় শিক্ষার্থীদের স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা। মিছিল শেষে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি পেশ করে ছাত্রলীগ। একই দিন বেলা ১১টায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে প্রগতিশীল ছাত্রজোটও তাদের চার দফা দাবির একটি স্মারকলিপি দেয় উপাচার্য বরাবর।

সাত দফা দাবিগুলো হলো আহত ছাত্রের সুচিকিৎসা, শাটল ট্রেনের বগি বৃদ্ধি ও ডাবল রেললাইন চালু, ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ বাস চালু, শাটলে নিরাপত্তা বৃদ্ধি, চবি স্টেশনের প্লাটফর্ম সংস্কার, তরী (বাস) সার্ভিসের ক্যাম্পাসে প্রবেশ এবং অক্সিজেন মোড় এলাকায় আরেকটি স্টেশন স্থাপন। আর প্রগতিশীল ছাত্রজোটের ৪ দফা দাবি হচ্ছে শাটল ট্রেনে বগি বৃদ্ধি, মালবাহী বগি প্রত্যাহার, শাটলে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং ডাবল রেললাইন স্থাপন।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমাবেশে চবি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক এইচএম ফজলে রাব্বি সুজন বলেন, যখন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১০ হাজার, তখন শাটল ট্রেনের বগি ছিল পাঁচটি। এখন শিক্ষার্থী বেড়ে ২৪ হাজার হলেও বগির সংখ্যা মাত্র সাতটি।

চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দীন চৌধুরী  বলেন, শিক্ষার্থীরা যে স্মারকলিপি দিয়েছে, তার অনেকাংশই বাস্তবায়নের পথে। শিগগির আরও একটা শাটল ট্রেনের বহর যুক্ত হতে যাচ্ছে। আশা করছি, কোরবানির ঈদের পর দাবিগুলো বাস্তবায়ন হবে।

একই ধরনের আরও সংবাদ