অধিকার ও সত্যের পথে

প্রশ্ন বিক্রির টাকাতেই রাজধানীর অগ্রনী স্কুলের শিক্ষকের বাড়ি-গাড়ি

 নিজস্ব প্রতিনিধি

বিসিএস, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংক ও বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াত চক্রের ৯ জনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সিআইডি পুলিশ জানিয়েছে, তারা আঙুল ফুলে কলা গাছ হয়েছেন। প্রশ্ন বিক্রির টাকা দিয়েই একেকজন আলিশান বাড়ি করেছেন, কেউ দামি গাড়ি কিনেছের আবার কেউ ব্যাংকে কোটি টাকা জমিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় সিআইডি মালিবাগ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল ইসলাম এ সব তথ্য জানান।

 গত শুক্রবার (৩ আগস্ট) অলিপ কুমার বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে সিআইডি। তার দেওয়া তথ্যমতেই গতকাল রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। এরা হলেন সিরাজগঞ্জ বিএডিসির সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল, ৩৬তম বিসিএসে নন ক্যাডার পদে সরকারি মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত ইব্রাহীম, ৩৮ তম বিসিএসের প্রিলিতে উত্তীর্ণ আইয়ুক আলী বাঁধন, এছাড়া খোজ নিয়ে জানা যায় রাজধানীর অগ্রনী স্কুলের ইংরেজী বিভাগের শিক্ষক গোলাম মোহাম্মদ বাবুল ঢাকায় বাড়ী গাড়ী সহ কোটি কোটি টাকার মানুষ প্রশ্ন ফাস করে, অফিস সহায়ক আনোয়ার হোসেন মজুমদার ও নুরুল ইসলাম, ধানমন্ডি গভ. বয়েজ স্কুরের সমাজ বিজ্ঞানের শিক্ষক হোসনে আরা বেগম এবং পিয়ন হাসমত আলী শিকদার।

তাদের ব্যাংক হিসেবে জব্দ করে দেখা গেছে, কোটি কোটি টাকা তাদের হিসেবে জমা রয়েছে। অলিপ হচ্ছে এই চক্রের মাস্টার মাইন্ড। ৪ বছরে তিনি ব্যাংকে ৩ কোটি টাকা জমিয়েছেন। গতকাল হোসনে আরা বেগম ও হাসমত আলী গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে বিসিএস লিখিত পরীক্ষার কয়েক কপি প্রশ্নপত্র ও ৬০ হাজার টাকা পাওয়া গেছে।

একই ধরনের আরও সংবাদ