অধিকার ও সত্যের পথে

রাবির ভর্তি পরীক্ষায় লিখিত পদ্ধতি বাতিল, থাকছে এমসিকিউ

 নিউজ ডেস্ক।।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় লিখিত পদ্ধতি বাতিল করে পুনরায় এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। তবে আগামী বছর থেকে রাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয়বার অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। গত ২৩ জুলাই ভর্তি উপকমিটির সভায় এমসিকিউ বাতিল করে লিখিত পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ভর্তিচ্ছুরা আগামী ৩ থেকে ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৫৫ টাকা দিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করতে পারবে। আগামী ২২-২৩ অক্টোবর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাছাই করে প্রতি ইউনিটে ৩২ হাজার ভর্তিচ্ছু পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে বলে জানা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার এ এইচ এম আসলাম হোসেন জানান, আগের মতো এমসিকিউ পদ্ধতিতেই এক ঘণ্টায় ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পাঁচটি ইউনিটে ৩২ হাজার করে শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে বাছাইকৃত ভর্তিচ্ছুদের ‘এ’ ও ‘সি’ ইউনিটের জন্য এক হাজার ২৫৪ টাকা, ‘বি’ ইউনিটের জন্য ৭২৬, ‘ডি’ ইউনিটের জন্য ৯৯০ ও ‘ই’ ইউনিটের জন্য এক হাজার ১২২ টাকা জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে। ভর্তি পরীক্ষায় প্রাথমিকভাবে আবেদনের জন্য মানবিক শাখার শিক্ষার্থীদের এসএসসি, এইচএসসি বা সমমান উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যুনতম জিপিএ ৩.৫০সহ মোট জিপিএ ৭.৫০, বাণিজ্য শাখায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যুনতম জিপিএ ৩.৫০সহ মোট জিপিএ ৮.০০ এবং বিজ্ঞানে চতুর্থ বিষয়সহ ন্যুনতম জিপিএ ৩.৫০সহ মোট জিপিএ ৮.৫০ থাকতে হবে।

লিখিত পদ্ধতিতে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত বাতিলের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা বলেন, ভর্তি পরীক্ষার আর বেশি দিন নেই। হঠাৎ করে এ নিয়ম চালু করলে শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্তিতে পড়বে। তাই এ বছর এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে আগামী বছর থেকে এমসিকিউ ও লিখিত- দুই পদ্ধতিতেই পরীক্ষা নেওয়া হবে।

একই ধরনের আরও সংবাদ