অধিকার ও সত্যের পক্ষে

১৮ শিক্ষকের ১১ শিক্ষার্থী!

 নিউজ ডেস্ক।।

নীলফামারী সদর উপজেলার লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নের দুবাছুরি দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসার ১৮ শিক্ষকের শিক্ষার্থী মাত্র ১১ জন। রবিবার (২৯ জুলাই) সকাল সাড়ে দশটায় ওই মাদ্রাসায় গিয়ে জাতীয় সংগীত গাওয়ার জন্য দাঁড়ানো এসব শিক্ষার্থীকে দেখা যায়।

জানা যায়, ওই মাদ্রাসার ১৮ শিক্ষকই এমপিওভুক্ত। তাদের মধ্যে রবিবার মাদ্রাসায় উপস্থিত ছিলেন ১০ জন। অভিযোগ আছে, শিক্ষকরা নিজেদের খেয়ালখুশিমতো আসেন, আবার হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে চলে যান। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মাদ্রাসার সুপার আব্দুল মোমেন বলেন, ‘বুঝতে পারলাম না, আজকে কেন মাত্র ১১ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত।’ শিক্ষকদের অনুপস্থিতি বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এগুলো নিয়ে বলতে গেলে অনেক কথা বলতে হয়, পরে বলব।’
অভিভাবক মো. রফিকুল ইসলাম ও ডা. সুরুজ মিয়া অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন থেকে মাদ্রাসাটিতে বিভিন্ন অনিয়ম চলছে।

শিক্ষার্থী উপস্থিতি কম থাকার জন্য মাদ্রাসার সুপার মো. আব্দুল মোমেনের উদাসীনতাকেই দায়ী করেন তারা। তারা আরও জানান, শিক্ষার্থীরা উপস্থিতি কম হলেও শিক্ষকরা হাজিরা খাতায় প্রায়ই উপস্থিতি দেখান। প্রতিদিন বেলা সাড়ে ১১টায় ক্লাস শুরু হয়, আর দুপুর ১টা থেকে ২টার মধ্যে ছুটি হয়ে যায়। কয়েকটি বিষয়ের দ্বিতীয় সাময়িকী পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। ক্ষোভ প্রকাশ করে মাদ্রাসার মেধাবী শিক্ষার্থী ফারহানা আক্তার তামান্নার বাবা মো. রুস্তম আলী বলেন, ‘আমার মেয়ে জেএসসিতে বৃত্তি পেয়েছে। আজ প্রায় এক বছর হয়ে যায় তার বৃত্তির টাকা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দেয়নি। আমার মনে হচ্ছে সুপার টাকা তুলে আত্মসাৎ করেছেন।’
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সুত্র আমাদের সময়

একই ধরনের আরও সংবাদ