অধিকার ও সত্যের পক্ষে

হুমায়ূন প্রয়াণ দিবস আজ

 নিউজ ডেস্ক।।

বাংলা সাহিত্যের এ প্রবাদ পুরুষের জন্ম ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার কুতুবপুর গ্রামে। বাবার চাকরি সূত্রে তার শৈশব কেটেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায়। দেখেছেন বহু মানুষ এবং তাদের জীবনানুভূতি। এর ফলেই হুমায়ূন আহমেদের লেখায় উঠে এসেছে বাঙালি মধ্যবিত্তের নানা সংকট, বিচিত্র জীবনযাপন আর হৃদয়ের টানাপড়েন।২০১১ সালে তার অন্ত্রে ক্যানসার ধরা পড়লে পরের বছরের মাঝামাঝি সময় যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করা হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টার পরও তাকে ধরে রাখা যায়নি। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই তিনি পাড়ি জমান না ফেরার দেশে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে মরদেহ ঢাকায় আনার পর ২৪ জুলাই তাকে গাজীপুরের পিরুজালী গ্রামে তার প্রিয় নুহাশপল্লীর লিচুতলায় চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। আজ ভক্তদের ফুলের শ্রদ্ধায় জায়গাটি ভরে উঠবে।হুমায়ূন একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার ও চলচ্চিত্রকার।

তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। তার অন্যতম উপন্যাসগুলো হচ্ছেÑ নন্দিত নরকে, শঙ্খনীল কারাগার, আগুনের পরশমণি, মেঘ বলেছে যাব যাব, আমরা কেউ বাসায় নেই, কোথাও কেউ নেই, মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প, মাতাল হাওয়া ইত্যাদি। তার সৃষ্টি ‘মিসির আলী’ ও ‘হিমু’ বাংলা সাহিত্যে অন্যতম জনপ্রিয় চরিত্র। তার নির্মিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো হচ্ছে দুই দুয়ারী, শ্রাবণ মেঘের দিন, ঘেটুপুত্র কমলা ইত্যাদি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘকাল কর্মরত ছিলেন। পরে লেখালেখি এবং নাটক-চলচ্চিত্র নির্মাণের ব্যস্ততায় অধ্যাপনা ছেড়ে দেন।কোটি হৃদয়ের ভালোবাসায় সিক্ত হুমায়ূন আহমেদ পেয়েছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, শিশু একাডেমি পুরস্কার, লেখক শিবির পুরস্কার ও মাইকেল মধুসূদন পদক।

একই ধরনের আরও সংবাদ