অধিকার ও সত্যের পথে

জীবনের জটিলতাকে সরল করতেই কবিতা লিখি: কবি খালেদ হোসাইন 

 মাহফুজ কিশোর, কুবি: 
“প্রত্যেক মানুষই তার ব্যক্তিগত জীবনের নায়ক অথবা নায়িকা। একইভাবে প্রত্যেক মানুষের ভেতরেই রয়েছে কবিত্বসত্তা। লেখকের বেদনা থাকে, আর সেটা হয় তার সৃষ্টির আনন্দ থেকেই। মূলত জীবনের জটিলতাকে সরল করতেই কবিতা লিখি।”- বলছিলেন কবি ও শিশুসাহিত্যিক এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. খালেদ হোসাইন।
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি কর্তৃক “শিশুসাহিত্য পুরষ্কার-১৪২৪” অর্জন করায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে অভিনন্দন ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন কবি।
বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক অনুষদে আয়োজিত একটি আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁকে এই সম্মাননা জানানো হয়।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মুহাম্মদ শামসুজ্জামান মিলকীর সভাপতিত্বে এবং প্রভাষক সাদিয়া আফরোজ সিফাতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান; বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম মাওলা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. তসলিমা খাতুন, মো. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম, কামরুন নাহার, মুহাম্মদ রেজাউল ইসলাম, সুমাইয়া আফরীন সানি ও প্রভাষক নূর মোহাম্মদ রাজু প্রমুখ।
কবি খালেদ হোসাইন ১৯৬৪ সালের ২০ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার ফাজেলপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাল্যকাল থেকেই তাঁর কাব্যপ্রীতি ছিলো। তিনি কাব্য ও ছড়াগ্রন্থ ছাড়াও বেশ কয়েকটি প্রবন্ধ, গল্পগ্রন্থের রচয়িতা। সাহিত্য সাধনার স্বীকৃতি স্বরূপ  শিশুসাহিত্য পুরষ্কার ছাড়াও তিনি একাধিক সম্মাননা পেয়েছেন জাতীয় পর্যায়ে।
বিভাগের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানস্থল প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। আলোচনায় বক্তারা কবি ও শিশুসাহিত্যিক অধ্যাপক ড. খালেদ হোসাইনের সাহিত্যচর্চা ও ব্যক্তিজীবনের ভূয়সী প্রশংসা করেন।  নিজের বক্তব্যে ড. খালেদ হোসাইন তার কবি, সাহিত্য ও শিক্ষাজীবনসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।
কবি খালেদ হোসাইন আরও বলেন, ‘প্রত্যেক মানুষই তার ব্যক্তিগত জীবনের নায়ক অথবা নায়িকা। পৃথিবীতে সুন্দরতম বিষয় হচ্ছে মানুষের মন। মানুষ সৃষ্টিশীল। জীবনকে উপভোগ করতে হবে। যদিও জীবনে অনেক কষ্ট আছে।’
অনুষ্ঠানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পক্ষ থেকে অতিথির হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে বাংলা বিভাগের প্রাঙ্গণ।
একই ধরনের আরও সংবাদ