অধিকার ও সত্যের পথে

তরুণ প্রজন্মের বিকাশে সহায়তা করবে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড

 শিক্ষাবার্তা ডেস্কঃ

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও জাতীয়তার চেতনা বিকাশে সহায়তা করবে। এছাড়া সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড আগামী প্রজন্মকে আধুনিক, সংস্কৃতিমনা ও সৃষ্টিশীল হিসেবে গড়ে তুলতে খুবই উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে।

সোমবার (২৮ মে) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে শিল্পকলা পদক ২০১৭ প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুল হামিদ বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। নতুন প্রজন্মকে এ কথা জানাতে হবে যে, আমাদের জন্মভূমিতে সাম্প্রদায়িকতার কোনো স্থান নেই। আমাদের ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শিল্পী সমাজের অবদান অনস্বীকার্য। জাতির প্রয়োজন ও সংকটের সময় সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড সাহসী ভূমিকা পালন করে আসছে সর্বদা।

রাষ্ট্রপতি পদকপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আপনারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আজ শিল্পকলা পদকে ভূষিত হলেন। আমি আশা করি, এ পুরস্কার আপনাদের নিজ অঙ্গনে আরও অবদান রাখতে উৎসাহিত করবে।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি শিশু, কিশোর ও যুবকদের কুসংস্কার, সাম্প্রদায়িকতা, মাদক, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখতে মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকাশ ও  বিশ্ব অঙ্গনে নিজস্ব সংস্কৃতি বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি সাত বিশিষ্ট শিল্পীর হাতে শিল্পকলা পদক তুলে দেন।

এ বছর পদক প্রাপ্তরা হলেন- যন্ত্র সঙ্গীতে আলাউদ্দিন মিয়া, নৃত্যে শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায়, ফটোগ্রাফিতে নাসির আলী মামুন, চারুকলায় চন্দ্র শেখর দে, লোকসঙ্গীতে কাঙ্গালিনী সুফিয়া বেগম, নাট্যকলায় এস এম মহসিন ও সঙ্গীতে মিহির লালা।

সম্মাননা প্রাপ্ত প্রত্যেককে একটি স্বর্ণপদক, এক লাখ টাকা ও সনদ দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, সংস্কৃতি সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

একই ধরনের আরও সংবাদ