অধিকার ও সত্যের পথে

কোটা আন্দোলনের নেতাদের হত্যার হুমকির জিডি নেয়নি পুলিশ

 আল আমিন হোসেন মৃধা, জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতাদের রুমে এসে হত্যার হুমকি দেওয়ায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করতে গেলে শাহবাগ থানা জিডি নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন নেতারা।

বুধবার বিকেলে এ ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা।

এসময় এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান বলেন, ‘মঙ্গলবারে রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসীন হলের ১১৯ নাম্বার কক্ষে আমাদের সহযোদ্ধা নুরুল হক নুরের কক্ষে তাকে মেরে পেলার উদ্দেশ্যে হামলা করেছে ছাত্রলীগের কিছু সন্ত্রাসী। আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে সহযোগিতা করছি। তাহলে কেন এই হামলা। কোনো আন্দোলনকারীর যদি কিছু হয় তবে ছাত্রসমাজ রাজপথে তা প্রতিহত করবে।

নুরুল হক নুর বলেন, আমাদেরকে এর আগে বিভিন্ন সময়ে হত্যার হুমকি দিলে আমরা সরকারের কাছে নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছি। কিন্তু আমাদের কেন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হলো না। ছাত্রলীগের কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ইয়াবা ব্যবসায়ী আমাকে ও রাশেদকে হত্যা করে ফেলার উদ্দেশ্যে আমার কক্ষে হামলা চালিয়েছে। আমি ৯৯৯ নাম্বারে কল করেও কোনো নিরাপত্তা পাইনি। তিনি তাদের ওপর হামলাকারীদের অতি দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

এর আগে সোমবার মধ্যরাতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ফ্ল্যাটফ্রর্ম বাংলাদেশ সাধারণ শিক্ষার্থী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বয়ক নুরুল হকে নুরের কক্ষে এসে তাদের পিস্তল দেখিয়ে হত্যার হুমকি দেন ছাত্রলীগের ২০/২৫ জন নেতাকর্মী। বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মোহাম্মদ মুহসীন হলের ১১৯ নাম্বার কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। ও সময় কক্ষে অবস্থান করছিলেন সংগঠনের অপর যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান।

পিস্তল নিয়ে তার কক্ষে আসেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইমতিয়াজ উদ্দিন বাপ্পি। তার সাথে ছিলেন মহসীন হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সানী, চারুকলা অনুষদ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফাহিম লিমনসহ আরো কয়েকজন।

সাধারণ ডায়েরি না নেওয়ার বিষয়ে শাহবাগ থানার ওসি হাসানের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

একই ধরনের আরও সংবাদ