অধিকার ও সত্যের পথে

পড়া না পারায় শিক্ষকের বেত্রাঘাতে গুরুতর আহত শিক্ষার্থী

 পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ

ক্লাশে পড়া দিতে না পারায় শিক্ষকের বেধড়ক বেত্রাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহীন আলম। কুয়াকাটা বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্যারা শিক্ষক হাসান আল আউয়াল তাকে বেত্রাঘাত করেন। এতে শিক্ষার্থীর বাম বাহুসহ পিঠে বেত্রাঘাতের ছোপ ছোপ ক্ষতচিহ্ন স্পষ্ট ফুটে আছে। শাহীন বর্তমানে কলাপাড়া হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডের ছয় নম্বর শয্যায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। সোমবার বিদ্যালয় চলাকালীন অবস্থায় শ্রেনীকক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

শিক্ষার্থী শাহীন জানায়, সে ইংরেজী বিষয়ের নির্দিষ্ট পড়া দিতে না পারে নাই। তাই কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই হাসান স্যার একযোগে সবাইকে বেত্রাঘাত করতে থাকে। এলোপাথারী বেত্রাঘাতে তার বাম হাতের উপরের অংশ ফেটে গেলেও স্যার খান্ত হয়নি। তারপরও সবাইকে বেত্রঘাত চালিয়ে যান। সবাইকে বেত্রঘাতের পরে শাহীনকে আবারও েেবত্রঘাত শুরু করলে শাহীন জ্ঞান হারেিয় ফেলে।

শাহীন বাবা মো.জাহাঙ্গির হাওলাদার জানান, শাহীনের শরীরের প্রায় সব অংশেই পেটানোর দাগ। একজন শিক্ষক ছাত্রকে বেতের লাঠি দিয়ে এভাবে পেটাতে পারে তা আমার জানা ছিলনা।

কুয়াকাটা বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো.খলিলুর রহমান জানান, এ বিষয়টি দুঃখজনক। ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্যারা (অতিরিক্ত) শিক্ষক হাসান আল আউয়ালকে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে।

কলাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.শহীদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি জেনে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
কলাপাড়া হাসপাতালের চিকিৎসক ডাক্তার জুনায়েত খান লেলিন জানান, শাহীনের সাড়া শরীরে বেত্রাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সুস্থ হতে সময় লাগবে ।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, আমাদের কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

একই ধরনের আরও সংবাদ