অধিকার ও সত্যের পক্ষে

সৈয়দপুরে ৪৬২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে

 শামছুল হক

গতকাল রবিবার (৬ মে) সারদেশের ন্যায় দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। শতকরা পাশের হার ৭৭ দশমিক ৬২, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ৭৫৫ জন।

অত্র বোর্ডের ৮টি জেলার মধ্যে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় ২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ২৯৭৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৬৪০ জন, শতকরা পাশের হার ৮৮.৬২% যা বোর্ডের পাশের হারের চেয়ে ১১.০০% বেশী।

সৈয়দপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ের তথ্যানুযায়ী অত্র উপজেলার ১৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৬২ জন, শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হওয়ার গৌরব অর্জন করে ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলঃ সৈয়দপুর সরকারি কারিগরি মহাবিদ্যালয়, সৈয়দপুর ক্যান্টঃ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সৈয়দপুর আদর্শ বালিকা স্কুল এন্ড কলেজ, ক্যান্ট বোর্ড হাই স্কুল সৈয়দপুর ও আল-ফারুক একাডেমী সৈয়দপুর।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে সৈয়দপুর সরকারি কারিগরি মহাবিদ্যালয় থেকে ১১৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে ৯৬ জন জিপিএ-৫ সহ ১১৬ জনই উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতভাগ। সৈয়দপুর ক্যান্টঃ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ২০৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে ১৪৯ জন জিপিএ-৫ সহ ২০৮ জনই উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতভাগ। লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ২৯৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে ৯৮ জন জিপিএ-৫ সহ ২৯৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৯৯ দশমিক ৩২ ভাগ। সৈয়দপুর আদর্শ বালিকা স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে ০৫ জন জিপিএ-৫ সহ ৬৯ জনই উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতভাগ। ক্যান্ট বোর্ড হাই স্কুল সৈয়দপুর থেকে ৮০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে ১০ জন জিপিএ-৫ সহ ৮০ জনই উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতভাগ। তুলশীরাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে ০১ জন জিপিএ-৫ সহ ৫৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৯৬ দশমিক ৫৫ ভাগ। সানফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ১১৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে ৩৭ জন জিপিএ-৫ সহ ১১৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৯৯ দশমিক ১৫ ভাগ। আল-ফারুক একাডেমী সৈয়দপুর থেকে ১৮৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে ৩৭ জন জিপিএ-৫ সহ ১৮৫  জনই উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতভাগ। সৈয়দপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১০৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৯৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৮৯ দশমিক ৮১ ভাগ। সৈয়দপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ১১৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে ০৩ জন জিপিএ-৫ সহ ১১০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৯৪ দশমিক ৮২ ভাগ। হাজারীহাট স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ১১০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে ০১ জন জিপিএ-৫ সহ ৯২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৮৩ দশমিক ৬৩ ভাগ। শেরে-বাংলা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে ০১ জন জিপিএ-৫ সহ ৩২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৮৮ দশমিক ৮৮ ভাগ। বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৫১ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৮৬ দশমিক ৪০ ভাগ। সিপাইগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৩৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৯০ দশমিক ৬৯ ভাগ। বাংলাদেশ রেলওয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে ০১ জন জিপিএ-৫ সহ ৭২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৯৮ দশমিক ৬৩ ভাগ। বোতলাগাড়ী আদর্শ বালিকা নিকেতন থেকে ৩৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ ২৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৮৪ দশমিক ৮৪ ভাগ। সৈয়দপুর মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ২০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৮৬ দশমিক ৯৫ ভাগ। কয়াগোলাহাট স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ১৫৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১১২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৭২ দশমিক ৭২ ভাগ। কামারপুকুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১৪৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৭৩ দশমিক ১৩ ভাগ। খালিশা বেলপুকুর স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ১১২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে ০৩ জন জিপিএ-৫ সহ ৯৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৮৩ দশমিক ৯২ ভাগ। লক্ষণপুর স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ২৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে ১২ জন জিপিএ-৫ সহ ১৯০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৮১ দশমিক ১৯ ভাগ। সৈয়দপুর ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৩৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৬৯ দশমিক ৬৪ ভাগ। বোতলাগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৩৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে ০৫ জন জিপিএ-৫ সহ ১০৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা  ৭৬ দশমিক ৬৪ ভাগ। চওড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৩১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে ০১ জন জিপিএ-৫ সহ ২৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা  ৮৭ দশমিক ০৯ ভাগ। সাতপাই স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ১০৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৭৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৭৪ দশমিক ২৮ ভাগ। কয়ানিজপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে ০২ জন জিপিএ-৫ সহ ৭৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৮৬ দশমিক ০৪ ভাগ। ছমির উদ্দিন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ২৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৮৫ দশমিক ২৯ ভাগ। বাঙ্গালীপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৭৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাশের হার শতকরা ৮৮ দশমিক ৬২ ভাগ।

উল্লেক্ষ্য গত বছর অত্র উপজেলায় ৪৪১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিল এবং পাশের হার ছিল শতকরা ৯১ দশমিক ৭৭ ভাগ।

একই ধরনের আরও সংবাদ