অধিকার ও সত্যের পথে

প্রধান শিক্ষকের ভূমিকায় পাল্টে যাচ্ছে বরুয়াজানী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ

 ওমর ফারুক সুমন, হালুয়াঘাটঃ

একজন আদর্শিক ও দায়িত্বশীল প্রধান শিক্ষকের ভূমিকায় পাল্টে যাচ্ছে বরুয়াজানী হাসান উচ্চ বিদ্যালয়ের সামগ্রিক দৃশ্যপট। প্রধান শিক্ষক হিসেবে এ কে এম কাজী নজরুল ইসলাম গত ২০১১ সালের ৫ মে তারিখে দায়িত্ব বুঝে নেন। এরপর থেকেই লেগেছে বিদ্যালয়টিতে উন্নয়নের ছোঁয়া।জানা যায়, প্রধান শিক্ষক হিসেবেও রয়েছে আলাদা কিছু বৈশিষ্ট্য। স্কুলের  প্রধান শিক্ষক এ কে এম কাজী নজরুল ইসলাম এর সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন হালুয়াঘাট প্রতিনিধি ওমর ফারুক সুমন।

শিক্ষাবার্তা ডট কমঃ স্যার কেমন আছেন ?

প্রধান শিক্ষকঃ আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।

শিক্ষাবার্তা ডট কমঃ স্যার  আপনি প্রতিদিন কয়টায় স্কুলে আসেন।

প্রধান শিক্ষকঃ আমি প্রতিদিন  সকাল ৯টায়  বিদ্যালয়ে আসি। নিজেই বিদ্যালয়ের সকল কিছু তদারকি করি। নিয়মিত ক্লাস মনিটরিং করা, বাগান করা, শিক্ষার্থীদের জন্যে খেলাধুলার ব্যবস্থা করা, প্রতিটি জাতীয় প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণের ব্যবস্থা করাসহ সকল দায়িত্বগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পালন করে থাকি।

শিক্ষাবার্তা ডট কমঃ স্যার জাতীয়করনের তালিকার আপনার স্কুলের অবস্থান কি?

প্রধান শিক্ষকঃ জাতীয়করনের জন্যে ৫ টি প্রতিষ্ঠানের ভিজিট তালিকায় বরুয়াজানী হাসান উচ্চ বিদ্যালয় শীর্ষে রয়েছে। 

শিক্ষাবার্তা ডট কমঃস্যার আপনার স্কুলে শিক্ষার্থী সংখ্যা কত?

প্রধান শিক্ষকঃ শিক্ষার্থী সংখ্যা  প্রায় ৮০০ জন।

শিক্ষাবার্তা ডট কমঃ স্যার আপনার বিদ্যালয়ে  কোন কোন শাখা বিদ্যমান আছে?

প্রধান শিক্ষকঃ বিদ্যালয়ে  বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শাখা নিয়ে ত্রিধারায় চলে শিক্ষা কার্যক্রম।

শিক্ষাবার্তা ডট কমঃ স্যার শুনেছিলাম আপনার প্রতিষ্ঠান একবার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল সে সম্পকে যদি কিছু বলেন।

প্রধান শিক্ষকঃ ২০১৭ সালে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুনাম কুঁড়িয়েছিল।

শিক্ষাবার্তা ডট কমঃ গত বছরের ফলাফল কেমন ছিলো?

 প্রধান শিক্ষকঃগত জে এস সিতে ৯৪.৭৭%, এসএসসিতে ৯৭.৮% ফলাফল অর্জন করে। এ+ ৯ জন, ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি ৩ জন।

শিক্ষাবার্তা ডট কমঃ স্যার শিক্ষাবার্তা ডট কম  পত্রিকার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।

প্রধান শিক্ষকঃ আপনাকেও ধন্যবাদ বিশেষ করে  আমার সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য শিক্ষাবার্তা ডট কম  পত্রিকাকে ধন্যবাদ।

 

একই ধরনের আরও সংবাদ