অধিকার ও সত্যের পথে

পবিত্র শবে মেরাজ পালিত

 নিউজ ডেস্ক।।

২৬ রজব দিবাগত রাত ছিল পবিত্র মেরাজ রজনি। এ উপলক্ষে মহাখালীস্থ গাউছুল আজম মসজিদ ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদ, খানকা, দরবার এবং মাজারে যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র শবে মেরাজ পালিত হয়েছে। এ মহান রাতের কর্মসূচিসমূহের মধ্যে ছিল রাতভর ওয়াজ, কুরআন তেলাওয়াত-জিকির-আজকার নফল এবাদত বন্দেগী, মিলাদ এবং দোয়া মোনাজাত।
এ মহান রাতে আল্লাহ তা’য়ালার ইচ্ছায় রাসূল (সা.) স্বশরীরে পবিত্র কাবা শরীফ থেকে পবিত্র বায়তুল মোকাদ্দাস, সিদরাতুল মুনতাহা হয়ে রুহানি জগতের আরশে মো’য়াল্লায় মহান আল্লাহ তা’য়ালার সাথে সাক্ষাৎ করে আবার রাতেই জমিনে তাশরীফ আনেন।

বিশিষ্ট ৪৫ জন ছাহাবায়ে কেরাম (রা.) মেরাজের বর্ণনা করেছেন। পবিত্র কুরআনের একাধিক আয়াতে মেরাজের ঘটনার কথা উল্লেখ রয়েছে। মেরাজের মাধ্যমে রাসূল (সা.) এর শ্রেষ্ঠত্ব এবং আল্লাহ তা’য়ালার সাথে তার নিগূঢ় সম্পকের্র রহস্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পায়। তাই মেরাজকে বিশ্বাস করা এবং উপলব্ধি করা মুসলমানদের জন্য ফরজ। ২৬ রজব দিবাগত রাত রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলেহি ওয়া ছাল্লাম স্বশরীরে মেরাজ অর্থাৎ মহান আল্লাহ তা’য়ালার সাথে সাক্ষাৎ লাভ করেন।

এ মহান রাতে আল্লাহ তা’য়ালা রাসূল (সা.)কে দীদারদানে ধন্য করেন। যার কারণে উম্মতি মোহাম্মদির কাছে মেরাজুন্নবী (সা.) রজনী অতিশয় সম্মানিত ও মূল্যবান। কারণ দয়ালু নবীজীর মেরাজুন্নবী (সা.) এর বদৌলতে উম্মতে মোহাম্মদি মরতবা অন্যান্য নবীগণের সম্মান অধিক পরিমাণে বৃদ্ধি লাভ করেছে। হাদীস শরীফে আছে আস্সালাতু মেরা’জুল মো’মেনিন অর্থাৎ নামাজ হলো মুমিন নর-নারীর মেরাজ স্বরূপ।

একই ধরনের আরও সংবাদ