অধিকার ও সত্যের পথে

বঞ্চিত বেসরকারি শিক্ষকদের কথা

 বিন-ই-আমিনঃ
বেসরকারি শিক্ষকদের বিভিন্ন সমস্যা,তাদের প্রতি অন্যায় ও অবিচারের কথা,বঞ্চনার কাহিনী সহ বিভিন্ন বিষয়ে অনেক লেখালেখি হলেও টনক নড়েনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
একদিন পরই বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় উৎসবটি পালন করবে জাতি ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণি পেশার মানুষ। জাতি হিসেবে আমাদের সবচেয়ে বড় উৎসবটি পালনের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারি নির্দেশনা থাকে। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলতে বুঝায় বে-সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সারাদেশে হাতেগোনা কয়েকশ সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকলেও সেগুলো শহরকেন্দ্রিক। আর বৈশাখের আনন্দ-উৎসব সাধারনতঃ গ্রামকেন্দ্রিক। বে-সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও অধিকাংশ গ্রামকেন্দ্রিক;যারা বর্ষবরণের প্রাণ। সেই বেসরকারি শিক্ষকরাই বর্ষবরণের উৎসবটি পালন করবে শুন্য হাতে। ছেলে মেয়েদের জন্য কোনো নতুন জামা কাপড় ছাড়াই নতুন বছরকে স্বাগত জানাবে প্রাচীন ঐতিহ্য মেনে। ২০১৫ সন থেকে অবহেলিত বেসরকারি শিক্ষক সমাজকে বাদ দিয়েই বৈশাখি ভাতা প্রদান করে আসছে বর্তমান শিক্ষা বান্ধব সরকার। উৎসব ভাতা চার আনা,বৈশাখী ভাতা শুন্য,বার্ষিক ৫% প্রবৃদ্ধি শুন্য।
সরকারী কোষাগার থেকে বেতনভোগী সবার জন্য অধিকার ও নিয়ম হলেও,অনিয়ম হয়ে গেলো শুধু বেসরকারি শিক্ষকদের বেলায়। ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি না দেওয়ার অর্থ বে-সরকারি শিক্ষকদের আজীবন ২০১৫ সনের বেতনেই চাকরি করতে হবে। যেহেতু বছর বছর ৫% প্রবৃদ্ধি পাচ্ছেনা বেসরকারি শিক্ষকরা, তাই আজীবনই ২০১৫ সনের বেতন স্কেলেই বেতন পাবে তারা।

 

বিন-ই-আমিন
সিনিয়র সহকারী শিক্ষক
নলছিটি গার্লস স্কুল ও কলেজ এবং শিক্ষা বার্তার ঝালকাঠী জেলা প্রতিনিধি।
একই ধরনের আরও সংবাদ