অধিকার ও সত্যের পথে

প্রশ্নফাঁস উদ্বেগজনক জায়গায় পৌঁছে গেছে

এবার এসএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁস অতীতের সব নজির ছাড়িয়ে গেছে। পরীক্ষার আগের রাতে যেখানে শিক্ষার্থীদের পড়া নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা সেখানে তারা ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র কেনা কিংবা খোঁজার কাজে ব্যস্ত থাকছে। দৃশ্যত, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকারের সব উদ্যোগও ব্যর্থ হয়েছে। শুধু পাবলিক পরীক্ষা নয়; বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হচ্ছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে কথা বলেছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধূরী। তার সঙ্গে কথা বলেছেন তাসলিমা তামান্না

প্রশ্ন: এত উদ্যোগ, সাবধানতার পরও এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটছে। ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে প্রশ্নফাঁস করা হয়েছে। ব্যবহার করা হয়েছে হোয়াটস অ্যাপ-ইমোর মতো প্রযুক্তি। ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সঙ্গে মূল প্রশ্নপত্র কখনও কখনও হুবহু মিলে যাচ্ছে, আবার কখনও মিলছে না। পরীক্ষা নিয়ে এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে কীভাবে দেখছেন?

রাশেদা কে. চৌধূরী: প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টা এখন উদ্বেগজনক জায়গায় চলে গেছে। এটা আগেও হতো; কিন্তু এই প্রকারে কিংবা আকারে হয়নি। এটা মহামারীর মতো বিস্তার লাভ করেছে। বারবার বলা হচ্ছে, প্রশ্নপত্র ফাঁস তো আগেও হতো। যারা এমন বলেন তাদেরকে আমি একটা প্রশ্ন করতে চাই, আমাদের এখানে পোলিও একসময় মহামারী আকারে ছিল, এখন সেটা থেকে আমরা অনেকটাই মুক্ত। আর প্রশ্নপত্র ফাঁস যখন সামাজিক ব্যাধি; তখন কেন এটা থেকে মুক্ত হতে পারবো না? এটা নৈতিকতার চরম অবক্ষয়। যতই আমরা বলি না কেন প্রশ্নপত্র পুরোটা ফাঁস হয়নি বা মেলেনি; কিন্তু জনরোষ তো বাড়ছে। কোনো না কোনোভাবে প্রশ্নফাঁস তো হচ্ছে। এই বাস্তবতাকে স্বীকার করা জরুরি। এটা জরুরি এই জন্য যে, ভয়াবহ এই ব্যাধির লাগাম আমাদের টানতে হবে। এর জন্য প্রতিষেধক, প্রতিরোধক দুটোই লাগবে। নীতি নির্ধারণী স্থান থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ আগে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি। যখন বারবার এটা গণমাধ্যমে আসে তখন বলা হচ্ছিল ‘মিডিয়ার সৃষ্টি’। যত ছোট আকারেই সেটা হোক না কেন আমরা যদি স্বীকার করে নিতাম প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে; তাহলে এটা হয়তো রোধ করতে পারতাম। আজকের মতো এই ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না।

প্রশ্ন: এসএসসি পরীক্ষার আগে কোচিং সেন্টারের সঙ্গে জড়িত কিছু শিক্ষককে ঢাকার বাইরে বদলি করা হয়। প্রশ্নফাঁস রোধে ইন্টারনেটের গতি কমানো, ফেসবুক বন্ধ— এসব প্রস্তাবও আসে। এসব করলেই কি প্রশ্নফাঁস রোধ করা সম্ভব?

রাশেদা কে. চৌধূরী:  প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রচণ্ড চাপের মধ্যে আছে। এ কারণে তারাও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। শুধু গণমাধ্যম নয়, প্রশ্নফাঁসের কারণ অনুসন্ধান করে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাও তিনটি জায়গা খুঁজে পেয়েছে। একটা হচ্ছে, প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস। দ্বিতীয়টি হচ্ছে, কোথাও কোথাও শিক্ষকরা ফাঁস করছেন, শিক্ষা প্রশাসনের লোকজন জড়িত এবং তৃতীয়টি হচ্ছে, কোচিং সেন্টারগুলোর মাধ্যমে অনেক বেশি প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে। ফলে উদ্বেগটাও এগুলো রোধ করার ক্ষেত্রে। যেহেতু একটা চক্র প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে প্রশ্নপত্র ফাঁস করছে তাই সরকার চেষ্টা করছে ইন্টারনেটের গতি শ্লথ করে এটা রোধ করতে। অন্যদিকে কোচিং সেন্টারগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। শিক্ষকদের অন্য জায়গায় বদলি করা হয়েছে। আমরা যারা শিক্ষা নিয়ে কাজ করছি তারা বারবার বলেছি, তিনটি জায়গায় আমাদের হাত দেওয়া প্রয়োজন। একটা হচ্ছে, কোচিংবাণিজ্য বন্ধ, দ্বিতীয়টি হচ্ছে, শিক্ষকদের কোচিং করানো বন্ধ করা এবং তৃতীয়টি হচ্ছে, যত ধরনের অনৈতিক কাজের সঙ্গে আমাদের শিক্ষা প্রশাসন বা শিক্ষকরা জড়িত সেখানে অনুসন্ধান করা। যেখানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কঠোর ভূমিকা নেওয়া উচিৎ ছিল সেখানে শিক্ষকদের দুর্নীতির খোঁজ নিতে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। শিক্ষায় গতি বজায় রাখার জন্য নীতি নির্ধারকরা কঠোর হবেন— এটা সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। সেটা হোক কোচিং বন্ধ, শিক্ষকদের দুর্নীতি কিংবা তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যহার রোধ।

প্রশ্ন: সরকারের এসব উদ্যোগের পরও মানুষ আস্থা রাখতে পারছে না…

রাশেদা কে. চৌধূরী: সাম্প্রতিককালে দেখা গেছে, মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। কেউ কেউ গ্রেফতারও হয়েছেন। মানুষের অনাস্থা সেকারণে আরও চরম পর্যায়ে চলে গেছে। এতগুলো ব্যবস্থা নেওয়ার পও তাই মানুষ মন্ত্রণালয়ের ওপর ভরসা করতে পারছে না। এদিকে প্রশ্নফাঁস নিয়ে আমাদের যে ক্ষতি হচ্ছে সেটা আদৌ পোষানো সম্ভব কি-না জানি না। শিক্ষার্থীদের আমরা প্রচণ্ড অনৈতিকতার দিকে ঠেলে দিচ্ছি। আমরা জেনেছি, প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার অংশগ্রহণ করা শিশু তার বাবা-মায়ের কাছে আবদার করেছে, আমার বন্ধু তো ফাঁস করা প্রশ্ন পেয়েছে, তোমরা কেন আনছো না? এইটুকু বয়স থেকে তারা অনৈতিকতার দিকে ছুটছে। অন্যদিকে, অসাধু শিক্ষকরা ধরেই নিয়েছেন, এমন ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত থাকলেও পার পেয়ে যাবেন। আবার অভিভাবকরা মনে করছেন, এই অসুস্থ প্রতিযোগিতার বাজারে তাদের সন্তানদের যেকোনো মূল্যে জিপিএ-৫ পাওয়াতে হবে। ফলে তারা ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র সংগ্রহের মতো অনৈতিক কাজের দিকে ঝুঁকছেন। শিক্ষার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবক— এই তিন গোষ্ঠী দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। এই পরিবেশ কেন তৈরি হয়েছে— এ প্রশ্ন এখন নিজেদেরই করা দরকার।

প্রশ্ন: শুধু এসএসসি নয়, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কিংবা চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হচ্ছে। প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে কেউ কেউ গ্রেফতার হচ্ছেন। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় কী?

রাশেদা  কে. চৌধূরী: যেকোনও পরীক্ষাতেই তিনটা পক্ষ থাকে। পরীক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে একটা অসাধু চক্র কাজগুলো করে যাচ্ছে। প্রশ্নফাঁসের জন্য ঢালাওভাবে শিক্ষক, শিক্ষার্থী কিংবা অভিভাবকদের দায়ী করার একটা প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু একটা চক্রে পড়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ফেঁসে যাচ্ছেন। যেকোন অপরাধের ক্ষেত্রে যদি ক্ষতিগ্রস্তদেরই ফাঁসানোর চেষ্টা হয় সেটাও অপরাধের সামিল। অনাস্থার পরিবেশটা ক্রমাগত বাড়ছে। তার বড় একটা কারণ হলো, পার পেয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি। গোয়েন্দা বাহিনী কিংবা প্রশাসনের দক্ষতা যাই হোক না কেন, কিছু কিছু অপরাধী ধরা পড়ছে। কিন্তু দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হচ্ছে না। এটা না হলে প্রলেপ দিয়ে, অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে হয়তো এই সমস্যার সাময়িক সমাধান করা যাবে। পুরোপুরি নির্মূল সম্ভব নয়। সে জন্য দরকার সমস্যার কারণ বা উৎস খুঁজে বের করা। মূলহোতাদের খুঁজে বের করতে হবে। শিক্ষার্থীদের বাস থেকে ধরা, শিক্ষকদের দায়ী করা কিংবা কোচিং সেন্টার সাময়িক বন্ধ করা— এর কোনোটাই এ জন্য যথেষ্ট নয়। সমস্যার মূলে পৌঁছাতে না পারলে এটি আবারও মাথাচাড়া দেবে।

শিক্ষাঙ্গনে এই যে অস্থিরতা, অনৈতিকতা বিস্তার হচ্ছে তার পেছনে তিনটি কারণ আছে। একটি হলো, আমাদের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা এখন পরীক্ষানির্ভর। এতগুলো পাবলিক পরীক্ষার চাপে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক সবাই হিমশিম খাচ্ছেন। দ্বিতীয়ত, আমাদের শিক্ষকদের ঢালাওভাবে দায়ী করা হচ্ছে। কিন্তু এটা মনে রাখা দরকার, তাদেরও প্রশিক্ষণের অভাব রয়েছে। তারা নিজেরা রোল মডেল হতে পারছেন না শিক্ষার্থীদের কাছে। কিছু দুর্নীতিবাজ, অনৈতিক কাজে লিপ্ত শিক্ষকের জন্য পুরো শিক্ষক সমাজ কলুষিত হচ্ছে। এটা নিয়ন্ত্রণ করতে শিক্ষক সংগঠনগুলোর এখন মাঠে নামা উচিৎ। যেসব শিক্ষক এসব অনৈতিক কাজ, কোচিংবাণিজ্য কিংবা বেআইনি অন্য কোনো কাজের সঙ্গে যুক্ত তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। সেই দাবি আসা উচিৎ শিক্ষক সংগঠনের পক্ষ থেকে। আরেকটা বিষয় হলো, যে চারটা পাবলিক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীদের যেতে হচ্ছে তাতে তারা হয়ত জিপিএ-৫ পাচ্ছে, কিন্তু মানুষ হচ্ছে না। আমরা আমাদের শিক্ষানীতিকেও পাশ কাটিয়ে গিয়েছি। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার অনেক পর যে শিক্ষানীতি সার্বভৌম সংসদে গৃহীত হয় ২০১০ সালে, সেটাতে বলা হয়েছে, অষ্টম শ্রেণি শেষে একটি পাবলিক পরীক্ষা হতে পারে আর দ্বাদশ শ্রেণির পরে আরেকটি। কিন্তু সেই শিক্ষানীতিকে পাশ কাটিয়ে এখন চারটি পাবলিক পরীক্ষা দেওয়া হয়েছে। একটা কথা স্পষ্ট মনে রাখা দরকার, পরীক্ষা বাদ দেওয়া মানে মূল্যায়ন বাদ দেওয়া নয়। শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ধারাবাহিক মূল্যায়নের কোনো বিকল্প নাই। সেখানে শিক্ষকদের সক্ষমতারও কোনো বিকল্প নেই। ধারাবাহিকভাবে নিয়মিত মূল্যায়নের মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী জ্ঞান, নৈতিকতার পাঠ শিখবে, মূল্যবোধের চর্চা করবে। তাহলে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমরা একটা জায়গায় পৌঁছুতে পারবো।

প্রশ্ন: চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে অনেক সময় পরীক্ষা বাতিলের দাবি ওঠে অংশগ্রহণকারীদের পক্ষে থেকে। কখনও পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে, কখনও হয়নি। ভবিষ্যৎ জাতি গঠনে এটা কি ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে আপনার মনে হয়?

রাশেদা কে. চৌধূরী: ফাঁস করা প্রশ্নপত্র দিয়ে হয়ত ভালো ফল করা যাবে; কিন্তু শিক্ষার উদ্দেশ্য অর্জন হবে না। শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো মানুষ মানুষের মতো হবে, মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে বেড়ে উঠবে। যেখানে প্রথমেই সে হোঁচট খাচ্ছে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মধ্য দিয়ে এবং সেটাকেই জীবনের অংশ করে নিচ্ছে সে যত ভালো ফল করুক, শিক্ষার ফল অর্জিত হবে না। বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বলেছেন,পরীক্ষা একটি অপ্রয়োজনীয় বিষয় এবং সেটা শিক্ষার্থীদের তেমন কাজে লাগে না। প্রতিযোগিতার এই বিশ্বে চিন্তাভাবনা করে পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কার করা প্রয়োজন।

উচ্চতর শিক্ষা  বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে যাওয়ার আগে চারটি পাবলিক পরীক্ষার আদৌ প্রয়োজন আছে কিনা সেটা আমাদের খুব ভালো করে বিবেচনা করতে হবে। এই পরীক্ষার মধ্য দিয়ে সার্টিফিকেট  বা জিপিএ-৫ পাওয়া যদি উদ্দেশ্য হয় তাহলে কিছু বলার নেই। একজন শিক্ষার্থী পুঁথিগত বিদ্যার মধ্য দিয়ে গাণিতিক বিষয়ে, ভাষা শিক্ষায় কিংবা যোগাযোগের ক্ষেত্রে  দক্ষতা অর্জন করছে কি-না— তা দেখার জন্য পরীক্ষাই কিন্তু একমাত্র পথ নয়। ধারাবাহিক মূল্যায়ন শিক্ষকরাই করতে পারেন। শুধু উন্নত বিশ্বে নয়, উন্নয়নশীল বিশ্বেও শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক মূল্যায়ন প্রধানত শ্রেণিকক্ষভিত্তিক। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে এমনভাবে সাজানো দরকার যেন সেটা পরীক্ষা কিংবা গাইডবই নির্ভর না হয়। শিক্ষাক্ষেত্রে আমাদের অনেক অর্জন আছে। প্রায় সব শিশুকে আমরা শিক্ষার আওতায় নিয়ে এসেছি। ছেলে-মেয়ের সমতা আনতে পেরেছি। প্রতিবন্ধীদের জন্য তাদের উপযোগী পাঠ্যপুস্তক তৈরি করছি। আদিবাসী ভাষাকে স্বীকৃতি দিয়ে পাঠ্যপুস্তক তৈরি হচ্ছে। এমন অনেক অর্জন আমাদের আছে। কিন্তু সবগুলো অর্জনই ঝুঁকির মুখে পড়বে যদি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা অনৈতিকতার ফাঁদে পড়ে।সুত্রসমকাল

একই ধরনের আরও সংবাদ