অধিকার ও সত্যের পথে

ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় কেন্দ্র বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

 মোঃ মনিরুজ্জামান

বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না ব্যাংক পরীক্ষার তিনকেন্দ্র তেজগাঁও, ইডেন ও ঢাকা কলেজের । নানা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে এই তিন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলছে, পরবর্তী পরীক্ষা থেকে অভিযোগ বিবেচনা করে কেন্দ্র নির্বাচন করা হবে।প্রশ্নপত্র ফাঁস, ফলাফলে ভুল, স্থান সংকট, কেন্দ্র বিতর্ক, পরীক্ষা বাতিল এসব অনিয়ম অভিযোগের অন্য নাম ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা। প্রতিটি পরীক্ষায় কোন না কোন বিতর্কই অবিতর্কিত। প্রতিকারে কখনো পোস্টার, ব্যানার, স্লোগানে কম্পিত হয়েছে রাজপথ, কখনো অভিযোগের পাল্লায় হতাশায় ছিল তারুণ্য। পরীক্ষাকালীন তেজগাঁও, ইডেন ও ঢাকা কলেজসহ কিছু কেন্দ্র থাকে আলোচনায়। শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এসব কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহারের সত্যতা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সবখানেই। সবশেষ ২০ জানুয়ারি অগ্রণী ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার পদে লিখিত পরীক্ষা তেজগাঁও কলেজকে পরিণত করেছে আতঙ্ক কেন্দ্রে। অনিয়মের প্রতিবাদে আন্দোলনকারীদের ওপর প্রশাসনের উপস্থিতিতে হামলা ভেঙেছে অতীতের সব অনিয়মের রেকর্ড। কেন্দ্রের বাইরে যাই হোক পরীক্ষাকালীন কোন অনিয়ম হয়নি বলে দাবি করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ, ভবিষ্যতে অভিযোগ বিবেচনায় এনে কেন্দ্র নির্বাচন করার কথা জানান তারা। আর বিতর্কিত কেন্দ্রে পরীক্ষা না নেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সহকারী মুখপাত্র আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘পরীক্ষা হয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে। পরীক্ষার যে নিয়মগুলো অনুসরণ করতে হয়, সেটা যথাযথভাবে করে আমরা খাতা নিয়ে এসেছি। ওটা একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। তাদের যে অভিযোগ আছে, তার যথাযথ প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরবর্তীতে যখন কেন্দ্র নির্ধারণ করা হবে, এটি আমরা বিবেচনায় রাখবো।’ বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সাবেক ডেপুটি গভর্নর ড. খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, ‘যেখানে ঠেকাতে পারবেন না, সেখানে বাতিল করে দিন। এখন তো ডাকায় পরীক্ষার জায়গা অনেক। যেখানে কমপ্যারেটিভলি বেটার সেখানে চলে যান।’
এদিকে তেজগাঁও কলেজ কেন্দ্র বাতিল না করলে ঐ কেন্দ্রের পরবর্তী সব পরীক্ষা বর্জন করার হুঁশিয়ারি চাকরি প্রত্যাশীদের।সূত্র :সময় নিউজ টিভি।

একই ধরনের আরও সংবাদ