অধিকার ও সত্যের পক্ষে

কোম্পানীগঞ্জে ঝুকিঁপূর্ন ভবনে আতংকে স্কুল শিক্ষার্থীরা, কর্তৃপক্ষ নির্বিকার

 নিজস্ব প্রতিনিধি

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইছাকলস সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কনকনে শীতে খোলা আকাশের নিচে একটি গাছতলায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতে দেখা গেছে। এতে শিক্ষার্থীরা একদিকে ঠান্ডা জনিত রোগ সর্দি কাশি জ্বর সহ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে একবছর আগে বিদ্যালয়ের ভবনটি ভূমিকম্পে হেলে পড়ায় ঝূঁকি পূর্ন ভবনের নিচে একটি গাছতলায় খোলা আকাশের নিচে বসে পাঠ গ্রহন করায় যে কোন সময় ভবনটি ধসে পড়ার আশংকা আর উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকগন। বিদ্যালয় সুত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার উপজেলা প্রকৌশলীর মাধ্যমে পিইডিপি-২ ও পিইডিপি-৩ এর আওতায় সুরমা নদী ও পিয়াইন নদীর পাশে কোন ধরনের পাইলিং ছাড়াই নিন্ম মানের নির্মান সামগ্রী দিয়ে ২০০৮ সালে শুরু করে ২০১৫ সালে শুরু করে ২০১৫ সালে বিদ্যালয় ভবনটি নির্মান কাজ শেষ করে পাঠদান শুরু হলে ২০১৭ সালের ৩ জানুয়ারী মৃদু ভূমিকম্প হলে বিদ্যালয়টির তিনতলা ভবনের ১৩টি কলামের (পিলার) ওপরের অংশের ভিমের নিচে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং ভবনটি পশ্চিম দিকে হেলে পড়েছে। ভূমিকম্পের এক সপ্তাহ পর সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এসে ভবনটিকে ঝূঁিকপূর্ন ঘোষনা করায় ভবনটিতে পাঠদান বন্ধ করলে এক বছর ধরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা খোলা আকাশের নিচে ঝূকিঁপূর্ন ভবনের সামনে একটি গাছতলায় জীবনের ঝুঁকিনিয়ে শিক্ষকগন পাঠদান করতেছেন। এ ব্যাপারে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি স্থানীয় সরকার উপজেলা প্রকৌশলী সহ নানা কার্যালয় বারবার ধর্না দিলেও কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না। বিদ্যালয়ে ৩৯২ জন শিক্ষার্থী ৬ জন শিক্ষক ১ জন প্রহরী রয়েছে। বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক লোকমান হেকিম জানান শিক্ষার্থীদের নিয়ে ঝূঁিকপূর্ন ভবনে খুব আতংকের মধ্যে রয়েছি। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি বজলু মিয়া জানান বিদ্যালয়ের ঝূঁিকপূর্ন ভবনের ব্যাপারে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করে আশ্বাস পেলেও স্থানীয় সরকার উপজেলা প্রকৌশলী কোন ধরনের সহযোগিতা না করায় মারাত্মক সমস্যার মধ্যে রয়েছি। যে কোন সময় ভবন ধসে দুর্ঘটনা ঘটলে সম্পূর্ন দায়ভার থাকবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলীর উপর। উপজেলার প্রকৌশলী শাহ আলম জানান আমরা ভবনটি ব্যবহার না করার জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দিয়েছি এবং আমাদের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেছি একটি টিম কিছু দিনের মধ্যে আসবে পরিদর্শন করতে। উপজেলা নির্বাহী আবুল লেইছ জানান আমি বারবার পরিষদের আলোচনায় বিষয়টি তুলে ধরেছি এবং আমরা টিন সেডের একটি স্থাপনা নির্মান করা যায় কিনা সে ব্যবস্থা করছি। ##

একই ধরনের আরও সংবাদ