অধিকার ও সত্যের পথে

মোরেলগঞ্জে  পুলের জীর্ণদশার কারনে শত শত শিক্ষার্থীর দুর্ভোগ

 মেহেদী হাসান লিপন, মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বারইখালী ইউনিয়নের উত্তর সুতালড়ী-বারইখালী সংযোগ খালের পুলের জীর্ণদশার কারনে দুই গ্রামের শত শত শিক্ষার্থী চরম ভোগান্তি শিকার হচ্ছে। এলাকার জনসাধারণও পুলটি ভগ্নদশার কারনে বেশী ভোগান্তির শিকার হচ্ছে ।

এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, বারইখালী ও উত্তর সুতালড়ী গ্রামের যোগাযোগের উন্নয়ন ও দুই পাড়ের একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের চলাচলের জন্য বছর পাচ আগে এ পুলটি নির্মান করা হয়। এর আগে এলাকার শিক্ষার্থী ও জনসাধারণ বাঁশের সাকো দিয়ে বছরের পর বছর দুই পাড়ের যোগাযোগ সচল রাখার চেষ্টা করছিল।

পরে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে বারইখালী বড় খালের একটি পুরাতন পুলের যন্ত্রাংশ দিয়ে এ পুলটি নির্মান করা হয়। পুরাতন যন্ত্রাংশ দিয়ে তৈরী এ পুলটি একাধিকবার ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক সহায়তায় সংস্কারের কাজ ও হয়েছে। কিন্তুু বর্তমান পুলটি সংষ্কারের পর্যায় নেই। প্রয়োজন নতুন পুলের। বারইখালী ইউনিয়ন পরিসদের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান লাল জানান, পুলটি এখন সংষ্কার না করে নতুনভাবে নির্মান করা একান্ত আবশ্যক।

এ পুলের দুই পাড়ের রয়েছে, মরহুম পীর হিসেবে খ্যাত খোড়া হাফেজ সাহেবের মাদ্রাসা ও এতিমখানা, রয়েছে বিএসএস দাখিল মাদ্রাসা, ১১৪ নং এসপি বারইখালী সরকারি প্রাথমকি বিদ্যালয়, জোমাদ্দারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদভিত্তিক ইসলামী পাঠাগার, জোমাদ্দারপাড়া বাজার । মাদ্রাসা ও স্কুলের শত শত শিক্ষার্থী যাতায়াত করে এ পুল দিয়ে।

বিএসএস দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো.অহিদুল ইসলাম বলেন, ইতোপূর্বে এ পুলের ফাঁক দিয়ে ১ম শ্রেণীর ফাতিমা পড়ে গিয়ে ভেসে যাচ্ছিল। স্থানীয় এক লোক দেখতে পেয়ে তাকে খাল থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। ১১৪ নং এসপি বারইখালী সরকারি প্রাথমকি বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষিকা ফারজানা বিথী বলেন, পুলটি জরুরী ভিত্তিতে পুনঃনির্মান আবশ্যক। ভগ্নদশার কারনে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হয়।#

একই ধরনের আরও সংবাদ