অধিকার ও সত্যের পথে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সরকারি কলেজ ভবনে কোচিং বাণিজ্য

 রিপন আলি রকিঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের অন্যতম বিদ্যাপীট শিবগঞ্জে অবস্থিত আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজের বিজ্ঞান ভবনে ওয়েমার্ক কোচিং সেন্টার শাখার রমরমা কোচিং বাণিজ্য চলছে। এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, প্রায় একমাস থেকে কোচিং সেন্টারটি সরকারি কলেজের বিজ্ঞান ভবনে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে আসছে। সরেজমিনে গেলে দেখা মিলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও কোচিং সেন্টারের কার্যক্রম।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রণীত কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালা-২০১২ নীতিমালা উপেক্ষা করে জেলা উপজেলায় বিভিন্ন নামে কোচিং খুলে অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে কোচিং বাণিজ্য। যেন জেলা উপজেলা শিক্ষা অফিস দেখেও দেখেন না। আর এই কোচিং বাণিজ্যের কারণে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী, শিক্ষার্থীদের অভিবাবক ও সচেতন মহল। শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রণীত কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালা-২০১২ নীতিমালা অনুসরণর করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)-কে চলতি বছরের ৪মে কোচিং বাণিজ্য বন্ধের প্রজ্ঞাপন জারির নির্দেশ দেন। তবে নীতিমালা অনুযায়ী সারাদেশে কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলেও বন্ধ হয়নি কোন কোচিং সেন্টার বরং ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে উঠেছে আরও কোচিং সেন্টার ও বেড়েছে কোচিং বাণিজ্য।

এ বিষয়ে সরাসরি কথা হয় ওয়েমার্ক কোচিং সেন্টার শাখার সহকারি ব্যবস্থাপক ময়েজ উদ্দিনের সাথে। তিনি বলেন, কোচিং সেন্টারের বিল্ডিং না পাওয়ায় কিছু দিনের জন্য কলেজের ভবনটি নিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছি। বিল্ডিং পেলেই আমরা এখান থেকে চলে যাব। তবে কার অনুমতি নিয়ে একটি সরকারি কলেজে কোচিং সেন্টারের কার্যক্রম চালাচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের অনুমতি নিয়েই সরকারি ভবনে আমরা শিক্ষার্থীদের কোচিং করাচ্ছি।

এব্যাপারে আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুস সালামের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমার কলেজে কোচিং সেন্টার হয়েছে এটাতো আমার জানা নেই। তবে আমি আজই খোঁজ নিচ্ছি যদি এরকম ঘটান সত্যি হয় তাহলে আমি তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। তিনি আরও বলেন এমনিতেই কোচিং সেন্টার অবৈধ্য ভাবে চলছে তাও আবার আমার কলেজে বিষয়টি আসলেই আশ্চর্যজনক।

একই ধরনের আরও সংবাদ