অধিকার ও সত্যের পক্ষে

হীরালাল সেন উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের জনক

বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের চলচ্চিত্রশিল্পের জনক হীরালাল সেন ১৮৬৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন ঢাকার অদূরে মানিকগঞ্জের বনজুরি গ্রামে। চলচ্চিত্র নিয়ে হীরালাল সেনের চিন্তা ছিল সে-যুগের একটি নতুন উদ্ভাবনী ও উচ্চতর শৌখিন আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। তবে হীরালাল সেনের এ ধরনের চিন্তার প্রেরণা হিসেবে কাজ করে তাঁর ঐতিহ্যিক পরিবার ও পরিমণ্ডল। জানা যায়, হীরালালের দাদা গোকুলকৃষ্ণ সেন ছিলেন মানিকগঞ্জের বিখ্যাত জমিদার ও ঢাকার বিখ্যাত উকিল। যাঁর সাথে ছিল ঢাকার নবাব আব্দুল গনির গভীর সখ্য ও বন্ধুত্ব। হীরালালের বাবা চন্দ্রমোহন সেন ছিলেন গোকুলকৃষ্ণ সেনের যোগ্য উত্তরসূরি, যিনি এমএ ও বিএল পাস করে ঢাকা কোর্টের উকিল নিযুক্ত হন। চন্দ্রমোহন সেন বিয়ে করেন দিনাজপুরের বিখ্যাত সেরেস্তাদার শ্যামচাঁদের মেয়ে বিধুমুখীকে। এই বিখ্যাত পরিবারে জন্ম নেওয়া হীরালাল সেন মানিকগঞ্জ থেকে প্রাইমারি (মাইনর) পাঠ শেষে ঢাকার কলেজিয়েট স্কুলে পড়াশোনা করেন। তিনি সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ফার্সি ভাষাও শিখতেন।
বর্ণ লেখার আগে মানুষ ছবি এঁকেছিল, তার আগে ছবি নিয়ে কল্পনা করেছে, স্বপ্ন দেখেছে। একদিন এই কল্পনা এবং স্বপ্নকে প্রকাশ করার জন্য মানুষ ছবি আঁকল ঠিকই—সেটি যন্ত্রস্থ এবং বহুদর্শী হলো হাজার বছর (এবং হাজার) পরে। এ সময় সেই কল্পনা এবং স্বপ্নকে মানুষ তার ব্যক্তিগত সম্পত্তির মধ্যে না রেখে বিলিয়ে দিল অপার জনগোষ্ঠীর দৃষ্টিক ও দার্শনিক বিচারের জন্য। আর সেটিকে আমরা হয়তো বললাম চলচ্চিত্র। এই চলচ্চিত্রকে বিনোদনের মাধ্যম বললেও এটি সপ্তম শিল্পের মাধ্যম, যা জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এ মাধ্যমটি ভারত উপমহাদেশে ফরাসিরা যখন আমদানি করেছিল তখন এটিকে ‘শতাব্দীর বিস্ময়’ বলা হয়েছিল। এ ‘বিস্ময়’ ভারতীয়দের জন্য এসেছিল নন্দনশিল্পের এক অনবদ্য মাধ্যম হিসেবে। এই মাধ্যমটি ইউরোপে বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে বিকাশ লাভের বছর কয়েকের মধ্যেই ভারতে আগমন ঘটে। আসলে ইংরেজ শাসন ভারত উপমহাদেশকে যেমন পরাধীন করে তেমনি ব্যবসার ‘কহিনূরে’ এ উপমহাদেশটি একসময় হয়ে পড়ে ‘সেলুলয়েড’-এর কেন্দ্রবিন্দু। আমরা জানি, ১৮৯৬ সালের ৭ জুলাই ভারত উপমহাদেশে লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয় অগাস্ট লুই বোম্বের ওয়াটসন হোটেলে প্রথম ‘অ্যারাইভাল অব অ্যা ট্রেন’ দিয়ে চলচ্চিত্রের যাত্রা শুরু করেন। তবে এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, ১৮৯৬ সালকে ভারতে চলচ্চিত্রের আনুষ্ঠানিক যাত্রারম্ভের সময় বললেও তার আগে অর্থাত্ ১৮৯৪ থেকে ’৯৫ সালের মধ্যে এখানে গতিময় প্রতিচ্ছবি নিয়ে পথিকৃত্ নিরীক্ষা হয়েছিল। যাকে ‘জাদুর চেরাগ’ বলে অভিহিত করা হয়। জানা যায়, মহাদেব পট্টবর্ধন ও তাঁর দুই পুত্র মিলে দুটো রঙিন প্লেটকে তিনটি স্লাইড প্রক্ষেপকের মধ্য দিয়ে প্রক্ষিপ্ত করে গতির বিভ্রম সৃষ্টি করে প্রদর্শনীর আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। আর তার সাথে পৃথক বর্ণনা ও সংগীতের মাধ্যমে একটি গল্প বাঁধা হয়েছিল।
গতিময় প্রতিচ্ছবির চলচ্চিত্রের যাত্রাটি ইউরোপিয়ানদের হাতে শুরু হলেও ভারতীয় আবেগপ্রবণ হরিশচন্দ্র শখারাম ভাটভাদেকারদের মোহাচ্ছন্নতায় তা হয়ে ওঠে এদেশীয় নন্দনতত্ত্বের উপনিষদ; যা ভারতীয় ‘সাবিত্রীদের’ও গহনের ‘মিনিয়েচারে’ পৌঁছায়। যদিও হরিশচন্দ্র শখারাম ভাটভাদেকারের ২১ মুদ্রার ক্যামেরার সাথে উঠে আসে পালোয়ানদের কুস্তি প্রতিযোগিতা (দি রেসলার) অথবা বানর খেলার দৃশ্য (ম্যান অ্যান্ড মাঙ্কি) কিন্তু এই ঐতিহাসিক রেনেসাঁর উত্সারণে তৈরি হয় বাংলার হীরালাল সেন, যাঁকে বলা হয় বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের চলচ্চিত্রশিল্পের জনক।
মূলত তরুণ হীরালালের পারিবারিক প্রতিপত্তি, সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলই তাঁর আলোকচ্চিত্র-প্রীতিকে উত্সাহিত করে। তাঁর রাজবাড়িটি ছিল ৩০ থেকে ৪০ বিঘা জমি নিয়ে। এ বাড়িতে ছিল নানারকম ফুল-ফল, গাছপালা পরিবেষ্টিত বাগান, পদ্মপুকুর থেকে শুরু করে শিল্প সৌকর্যমণ্ডিত দালানকোঠা এবং নাটমন্দির। এ বাড়িতে আয়োজন করা হতো কবিগান, কীর্তন, নৃত্য, সংগীতচর্চা, পূজা উত্সব ইত্যাদি। এখানে বলে রাখা ভালো যে, বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও লোকগাথা সংগ্রাহক ডক্টর দীনেশ চন্দ্র সেন ছিলেন হীরালাল সেনের পিসতুতো ভাই ও সহপাঠী। জানা যায়, কিশোর বয়সে দীনেশ চন্দ্র সেন বনজুরি গ্রামে কাগজ কেটে রাম বনবাসের চিত্র তৈরি করে লণ্ঠনের আলো ও কাপড়ের সাহায্যে ‘ছায়াবাজি’ খেলা দেখাতেন। বলা যায়, কিশোর দিনেশ চন্দ্র সেনের এ ‘ছায়াবাজি’ যদিও ‘স্টার্ক ন্যাচারালিস্টিক লাইটিং’ থেকে অনেক দূরে তবু এটিকে বলা যায় চলচ্চিত্রের আদি-আন্তিক ‘ভিজ্যুয়াল সেন্স’। পরবর্তীকালে আমরা উপমহাদেশের যে চিত্রবিদ্যা, ফটোগ্রাফি, বায়োস্কোপ তথা চলচ্চিত্রের জনকখ্যাত হীরালালকে পেয়েছিলাম সেটির অনুপ্রেরণা ছিল এই দীনেশ চন্দ্র সেনের ‘ছায়াবাজি’ খেলা।
এ বিষয়ে চলচ্চিত্র বিষয়ক পণ্ডিত অনুপম হায়াতের উদ্ধারে হীরালাল সেনের বক্তব্য জানা যায়, ‘এই ঝোঁকের মূলে তুমি (দীনেশ চন্দ্র সেন), তুমি যে আমাকে লইয়া ছবি আঁকিতে, সেই সময় ইহার সূত্রপাত, তুমি যেদিন ছায়াবাজি দেখাইয়াছিলে, সেদিন যে আমার মনে যুগ উল্টিয়ে গিয়াছিল, তাহা তোমায় বলি নাই। কিন্তু সেই ছায়াবাজি দেখার কথা কৈশোর জীবনে প্রতিদিন আমার মনে পড়িয়াছে উহাই এই রয়াল বায়োস্কোপের ভিত্তি।’
এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, এই উপমহাদেশে ইউরোপিয়ানদের দ্বারা ১৮৯৬ সালে প্রথম চলচ্চিত্র প্রদর্শনের কথা বলা হলেও এ বিষয়ে হীরালালের চিন্তাচেতনা শুরু হয়, তারও আগে। বলা যায়, যা দীনেশ চন্দ্রের ‘ছায়াবাজি’ তাই ১৮৯৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারিতে হীরালালের হাতে ‘চিন্তনিক’ রূপান্তরে হয়তো ‘রয়েল বায়োস্কোপ কোম্পানী’ নামে প্রতিষ্ঠিত হলো; কিন্তু তারও আগে অর্থাত্ ১৮৯০ সাল বা তারও আগে হীরালাল সেন তাঁর ভাই মতিলাল সেন মিলে মানিকগঞ্জের বনজুরি গ্রামে ‘এইচএল সেন এন্ড ব্রাদার্স : অমরাবতী ফাইন আর্ট এসোসিয়েশন’ নামে একটি ফটোগ্রাফিক স্টুডিও স্থাপন করেন। এ সম্পর্কে অনুপম হায়াতের মত, ‘হীরালাল সেন যখন আলোকচিত্র চর্চা ও ব্যবসায়ে প্রসার লাভ করেন তখন ওয়াশিংটন, লন্ডন, প্যারিসে বায়োস্কোপ বা চলচ্চিত্র প্রদর্শন চালু হয়েছে।’ এ কারণেই ১৮৯৬ সালে এদেশে তথা ভারত উপমহাদেশে ইউরোপিয়ানদের দ্বারা প্রথম চলচ্চিত্র প্রদর্শনের পরে হীরালাল সেনের ১৮৯৮ সালে কলকাতায় ‘রয়েল বায়োস্কোপ কোম্পানী’ প্রতিষ্ঠাকে তাঁর ‘বায়োস্কোপিক’ মূল ভিত্তি না বলে তাঁর ‘এইচএল সেন এন্ড ব্রাদার্স :অমরাবতী ফাইন আর্ট এসোসিয়েশন’কে ইউরোপিয়ানদের ‘যন্ত্রপাতির’ বায়োস্কোপিক রূপান্তর বলাটাই সমীচীন হবে। কারণ ১৮৯৬ সালে বোম্বের ওয়াটসন হোটেলের ‘শতাব্দীর বিস্ময়’ বায়োস্কোপ যখন (একই সালে) কলকাতার স্টার থিয়েটারে ইংরেজ স্টিফেন দেখাল হীরালাল সেটি দেখে সেই বায়োস্কোপের যন্ত্রপাতি ইউরোপ থেকে জোগাড় করলেন এবং ১৮৯৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারিতে ‘এইচএল সেন এন্ড ব্রাদার্স : অমরাবতী ফাইন আর্ট এসোসিয়েশন’-এর বায়োস্কোপিক রূপান্তরটির নাম হলো ‘রয়েল বায়োস্কোপ কোম্পানী’।
এখানে উল্লেখ করা যায় যে, অবিভক্ত ভারতের কলকাতা ছিল শিল্প-সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু। ফলে সহজে ধারণা করা যায়, ১৮৯৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হীরালাল সেনের কলকাতার ‘রয়েল বায়োস্কোপ কোম্পানী’ প্রতিষ্ঠা ছিল মানিকগঞ্জের বনজুরি গ্রাম থেকে আগত ‘এইচএল সেন এন্ড ব্রাদার্স : অমরাবতী ফাইন আর্ট এসোসিয়েশন’-এর উত্কর্ষতার দ্বিতীয় রূপ। ধারণা করা যায়, তার আগেই তিনি ঢাকা বা মানিকগঞ্জেই ছায়াবাজির ‘বায়োস্কোপিক’ পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছিলেন সন্দেহ নেই। তবে জানা যায়, এই সালেই তিনি ভোলার এসডিওর বাংলোতে বায়োস্কোপ দেখান। আবার ১৮৯৮ সালে হীরালাল সেনের তোলা স্থিরচিত্র ভারতীয় শিল্প ও কৃষি প্রদর্শনীতে স্বর্ণপদক লাভ করে, যা হয়তো তাঁর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির প্রমাণমাত্র, কিন্তু তার আগেই তিনি ‘ছায়াবাজি’র উত্কর্ষতায় বিভোর ছিলেন। এখানে আরেকটি বিষয় উল্লেখ করা যায়, হীরালাল সেনের ‘মুভি শটে’ ১৯০১ সালে অমরেন্দ্র নাথ, নৃপেন্দ্র বসু, কুসুম কুমারী (প্রথম চিত্রনায়িকা), প্রমদা সুন্দরীদের অভিনয় যখন ‘ভ্রমর’, ‘আলিবাবা’, ‘হরিরাজ’, ‘দোল লীলা’, ‘যুদ্ধ’, ‘সীতারাম’ ইত্যাদি উঠে আসে তখন ভারতের প্রতিবেশি চীনে মাত্র অপেরা অথবা মঞ্চাভিনেতারা ‘টিং-চুন মাউনটেন’-এ দাঁড়িয়েছিল (এমনকি চীনা চলচ্চিত্রের অ্যান হুর বিখ্যাত ‘শ্যাডো ম্যাজিক’-এর মাধ্যমে জানা যায়, ১৯১১ সালের আগের একটি পটভূমি—যেখানে একজন বিদেশি বেইজিং এসে শুরু করেন ছায়াবাজি, যা চীনাদের কাছে ছিল একেবারে নতুন। তবে জানা যায়, চীনে প্রথম চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয় ভারত উপমহাদেশের কিছুটা পরে; সেটি ‘টি হাউজে’ ১৮৯৬ সালের ১১ আগস্ট।)। তাই উদ্যম ও গতিময় হীরালাল ভারত উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অথবা জনক হতে পেরেছেন।
হীরালাল  সেন  চলচ্চিত্রপঞ্জি :
কাহিনিচিত্র : ১. ভ্রমর; ২. আলিবাবা; ৩. হরিরাজ; ৪. দোল লীলা; ৫. সরলা; ৬. বুদ্ধ; ৭. সীতারাম। (১৯০০-১৯০১ সময়সীমায় তোলা এই ছবিগুলোর দৈর্ঘ্য ১০০ থেকে ১৫০ ফিট পর্যন্ত) ৮. দুটি প্রাণ; ৯. মৃণালিনী; ১০. সোনার স্বপন; ১১. মনের মতন; ১২. মজা; ১৩. বধূ; (১৯০২-১৯০৫ সময়সীমায় তোলা এই ছবিগুলোর দৈর্ঘ্য ২০০ থেকে ৩০০ ফিট পর্যন্ত—বিদেশ থেকে ক্যামেরা এনে নতুন ক্যামেরায় তোলা) ১৪. চাবুক; ১৫. গুপ্তকথা; ১৬. ফটিকজল; ১৭. দলিতা ফনিনী (১৯০৩-১৯০৫ সময়সীমায় তোলা ছায়াছবি)।
সংবাদচিত্র : ১. করোনেশন দরবার-দিল্লি (১৯০৩); ২. করোনেশন দরবার-কলকাতা (১৯০৩); ৩. গ্র্যান্ড প্যাট্রিওটিক ফিল্ম; (১৯০৫); ৪. সুরেন্দ্রনাথের শোভাযাত্রা (১৯০৫); ৫. দিল্লি কলকাতার দরবার চিত্র (১ম) (১৯১১-১২); ৬. দিল্লি কলকাতার দরবার চিত্র (২য়) (১৯১১-১২); ৭. দিল্লি কলকাতার দরবার চিত্র (৩য়) (১৯১১-১২); ৮. দিল্লি কলকাতার দরবার চিত্র (৪র্থ) (১৯১১-১২); ৯. দিল্লি কলকাতার দরবার চিত্র (৫ম) (১৯১১-১২); ১০. দিল্লি কলকাতার দরবার চিত্র (৬ষ্ঠ) (১৯১১-১২)।
তথ্যচিত্র : ১. পথের ছবি; ২. গঙ্গার ঘাটের ছবি; ৩. প্যাথে নৃত্য দৃশ্য; ৪. প্যাথে ছবি (গুচ্ছ) (১৯০০ সালে তোলা); ৫. চিত্পুর রোডে চলমান দৃশ্য; (১৯০০-১৯০১ সময়সীমায় তোলা ছায়াছবি); ৬. বগজুরি গ্রামের বিবাহোত্সব; ৭. বগজুরি গ্রামের স্নানার্থী তথ্যচিত্র (১৯০২-১৯০৩ সময়সীমায় তোলা ছায়াছবি); ৮. রাজেন্দ্র মল্লিকের বাড়ির বিবাহোত্সব; ৯. দুলিচাঁদ মল্লিকের বাড়ির বিবাহোত্সব; ১০. শিবচরণ লাহার বাড়ির বিবাহোত্সব; ১১. রাজেন্দ্র মল্লিকের বাড়ির বিভিন্ন উত্সব; ১২. শিবচরণ লাহার বাড়ির বিভিন্ন উত্সব (১৯০২-১৯০৫ সময়সীমায় তোলা ছায়াছবি)।
প্রচারচিত্র ১৩. এডওয়ার্ড অ্যান্টি ম্যালেরিয়া স্পেসিফিক কোম্পানির পেটেন্ট ওষুধ; ১৪. জবাকুসুম তেল (সি কে সেন-এর আগরপাড়া বাগানবাড়িতে গৃহীত); ১৫. সার্সাপেরিলা (ডব্লিউ মেজর কোম্পানির তৈরি। সি কে সেনের বাগানবাড়িতে গৃহীত) ১৯০৩ সালে তৈরি।
একই ধরনের আরও সংবাদ