অধিকার ও সত্যের পথে

শিক্ষার্থীরা কেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পাচ্ছে না?

প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর স্বপ্ন থাকে সে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করবে । লেখাপড়া করে সে তার জীবনেকে উচ্চপর্যায়ে নিয়ে যাবে, স্বপ্ন যেমন রয়েছে তার, পরিবারের, সমাজের, রয়েছে তার কাছের মানুষদের। কিন্তু বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে সে সফলতা তো দূরের কথা তাকে ব্যর্থতা নিয়েই জীবন চলতে হয়। কিন্তু তার ব্যর্থতা খুঁজতে গিয়ে ০৪ টি কারণ নির্ধারণ করেছি।

০১. বিশ্ববিদ্যালয় ও আসন সংখ্যা সীমিত: ৩৬ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বমোট আসন সংখ্যা ৪৮,৩৪৩ টি। এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পাস করেছেন ৮,০১, ৭১১ জন। তাহলে হিসাব অনুযায়ী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে না (৮,০১,৭১১-৪৮,৩৪৩)=৭,৫৩,৩৬৮ জন শিক্ষার্থী। যা মোট উত্তীর্ন শিক্ষার্থীর শতকরা ৯৩.০৩ শতাংশ প্রায়। এ ক্ষেত্রে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্ভি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ব্যর্থ হওয়া খুবই স্বাভাবিক বিষয়। এবার আমি আরও পরিস্কার করতে চাই।

এ দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও ডেণ্টাল কলেজের মোট আসন সংখ্যা হিসাব দেখাতে চাই। বর্তমানে আমাদেরর দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ৪২ টি। এর মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সহ ৩৭ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৩৬ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বমোট আসন সংখ্যা ৪৮,৩৪৩ টি, সবচেয়ে বেশি আসন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কলেজ গুলোর আসন প্রায় ৩,৯৮,৯৩০ টি, এছাড়ও ৯৫ টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসন সংখ্যা ১,৮৯,০০০ টি, মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে আসন আছে ৪,৩৪৪ টি । তাহলে ৩৭ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ৯৫ টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সহ মেডিকেল ও ডেণ্টালে সর্বমোট আসন সংখ্যা ৬,৪০,৬১৭ টি।

আর এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পাস করেছেন ৮,০১, ৭১১ জন শিক্ষার্থী। হিসাব অনুযায়ী এ বছর উচ্চতর শিক্ষা অর্থাৎ অনার্স বা সম্মানে ভর্তি হতে পারবেনা ৮,০১,৭১১-৬,৪০,৬১৭= ১,৬১,০৯৪ জন শিক্ষার্থী। এই হলো আমার দেশের উচ্চতর শিক্ষার আসন সংখ্যা ও উত্তীর্ন শিক্ষার্থীদের হালচাল। তাই বলা যায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অকৃতকার্য বা ব্যর্থ হওয়া এটি অতি স্বাভাবিক বিষয়। কেননা যেখানে শতকরা ৯৩.০৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে ব্যর্থ হচ্ছে সেখানে এটিকে আমরা ঠান্ডা মাথায় স্বাভাবিক ব্যাপার বলতে পাড়ি। তাছারাও ১,৬১,০৯৪ জন শিক্ষার্থীতো অনার্সে বা সম্মানে ভর্তির কোন সুযোগই নেই। তাই এই অবস্হায় ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের হেরে যাওয়া বা ব্যর্থ হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার।

০২. শিক্ষার গুণগত মানের অভাব: দেশের শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে কোনো আমলে সবাই সন্তুষ্ট হয়েছে বলে শুনিনি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সেই আমলে শিক্ষা নিয়ে যেসব প্রবন্ধ লিখেছেন, সেখানে তিনি তাঁর সময়ের শিক্ষার মান নিয়ে বিস্তর খোদ প্রকাশ করেছেন। স্বাধীনতার পর নানা সময়ে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের বিভিন্ন রচনায় শিক্ষার গুণগত মানের প্রশ্নে অসন্তুষ্টির সুর পাওয়া গেছে। সন্তুষ্টি যে দেখা যায়নি, তা নয়; তবে তুলনামূলকভাবে কম।

আমি মনে করি শিক্ষার গুণগত মান আরও উন্নত করার দরকার বিশ্ববিদ্যালয় যে বিষয়গুলো আসে সে বিষয়গুলো কলেজের মধ্যে যেন ভালো করে শিক্ষা প্রদান করা হয়। শিক্ষা প্রদান করার জন্য দরকার দক্ষ শিক্ষক তেমনি দরকার সুন্দর পরিবেশ । শিক্ষার সাথে সম্পর্কিত সকল বিষয়গুলোকে আরও উন্নত করার প্রয়োজন। একটি জরিপে দেখা গেছে যে, পরীক্ষা হলে ৫০ জনের মতো শিক্ষার্থী ছিল। যাদের মধ্যে মাত্র কয়েকজন শুদ্ধ করে বাক্য লিখতে পেরেছে। তবে জটিল বাক্য লিখতে গিয়ে তারা ভুল করেছে। এটা খুব অস্বাভাবিক নয়। মানসিক চাপে সেটা করতেই পারে। কিন্তু তাই বলে এই? তাদের প্রতিষ্ঠানের নাম জিজ্ঞেস করায় তারা বলতে চায়নি। ওই কলেজের শিক্ষার্থীকে সঠিক বাক্য লিখতে বললে সে বারবার কেটে bettefal কেটে beg লিখেছে। তারপর beg কেটে bag লিখেছে। অবশেষে bag থেকে bagg লিখেছে।

আর এক শিক্ষার্থী লিখেছে, “I am student of.”
তাকে বললাম, “এরপরে কিছু একটা লেখা দরকার কি না?”
বলল, “কী লিখব?”
আমি বললাম, “তুমি লিখ, I am a student of something.”
আমি বুঝাতে চেয়েছিলাম সে যেন কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম লেখে। লিখে আমাকে ডেকে বলল, “হয়েছে কি না?”
সে লিখেছে, “I am student of something.” আর কিছু বলার ইচ্ছা হল না। এবার আগ বাড়িয়ে সবাইকে বললাম, “তোমাদের সন্তানদের কি এই পড়াবা? একটু ভালো করে পড়। অন্তত নিজেদের পরবর্তী প্রজন্মকে সঠিকপথ দেখাতে পারবে।”

০৩. প্রযুক্তির অপব্যবহার: পৃথিবীর আয়ু বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিপুল সম্ভাবনার দ্বার খুলে যাচ্ছে আমাদের সামনে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি আমাদের শেষ পর্যন্ত কোন দিগন্তে নিয়ে যাবে সেটা ধারণার অতীত। এক পা দু পা করে আমরা সভ্যতার একেকটি স্তর পার হয়ে যাচ্ছি। প্রযুক্তি আমাদের অনেক কিছু শিখিয়েছে। আবার আমাদের কাছ থেকে নৈতিকতা ও মূল্যবোধে কেড়ে নিয়েছে। এ কথা আমি বলতে চাই না যে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের অগ্রগতি আমাদের সমাজের জন্য অপ্রয়োজনীয়। সভ্যতার উন্নয়নে তথ্য প্রযুক্তির অবদান অপূরণীয়। কিন্তু আমরা কি কখনো অনুধাবন করে দেখেছি যে প্রযুক্তির অকল্যাণকর দিকগুলো আমাদের অবস্থান কোথায় নামিয়ে দিচ্ছে? অবশ্য এর জন্য আবিষ্কার ও আবিষ্কারক কোনোটিই অপরাধী নয়, অপরাধী হচ্ছি আমরা ব্যবহারকারীরা।

পৃথিবীর ৪২.২ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহারের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত। ধারণা করা হয় ২০১৭সালের শেষ নাগাদ পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক লোক ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় আসবে।  বিটিআরসির (BTRC) হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০১৭ সালের শেষ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় আট কোটি আট লাখ। ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় পাঁচ কোটি। প্রতি ১০ সেকেন্ডে একটি করে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলা হচ্ছে যেটা বাংলাদেশের জন্মহারের চেয়েও বেশি।

আমাদের জীবনকে সহজ করে দিয়েছে কিন্তু তরুণ সমাজ এ প্রযুক্তিকে অপব্যবহার করে, প্রযুক্তিকে সঠিক ব্যবহার না করে তাদের জীবনকে ধ্বংস করে দিচ্ছে । যখন একটা ছাত্র জীবন গঠন করার মূল সময় আসে ঠিক তখনই সে প্রযুক্তির অপব্যবহার করা শুরু করে দেয়। সে কারণে তার লেখাপড়ার যেমন সঠিকভাবে হয় না, তার সফলতাও আসে না ।

আমি বলতে চাই প্রযুক্তির ব্যবহার করবে কিন্তু প্রযুক্তির অপব্যবহার না করে সে যেন তার জীবনকে সুন্দর করে ঘটন করে।

০৪. সঠিক গাইডলাইনের অভাব: শিক্ষার্থী মেধাবী হোক আর দুর্বল হোক পড়াশুনা নিয়ে তার কিছু সমস্যা থাকেই। কিছু সমস্যা আছে যা সে নিজেই সমাধান করতে পারে আর কিছু সমস্যা সে নিজে সমাধান করতে পারেনা। সমস্যা সমাধানের জন্য শিক্ষক কিংবা ভাল কোচিং সেন্টারের সহায়তা নিতে হয়। সমস্যা যাই হোকনা কেন কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয় অসচেতনতা প্রসূত, আবার কিছু সমস্যা মানসিকও বটে। সমস্যাগুলো পারিবারিক কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগতও হতে পারে। “মেধাবী ছাত্র মানে ভাল ছাত্র নয়।” ভাল ছাত্র হতে হলে কিছু সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট কৌশল অবলম্বন করতে হয়। যদি আমরা প্রতিভাবানদের জীবনি লক্ষ করি তাহলে দেখতে পাব তারা ছাত্র জীবনে নানা রকম সমস্যায় ভুগেছিলেন।

টমাস আলভা এডিসন ছেলেবেলায় এতই বোকা ছিলেন যে, মাস্টার মশাই তার মাকে লিখেছেন, ‘আপনার টমি এত বোকা যে তার পক্ষে লেখাপড়া শেখা সম্ভব নয়। তাকে স্কুল থেকে ছাড়িয়ে নিন।’

বিজ্ঞানী আইনস্টনকে ছোট বেলায় বলা হতো গবেট। স্মৃতিশক্তির দুর্বলতার কারণে তার লেখাপড়া শুরু করতে করতেই নয় বছর পেরিয়ে যায়। স্মৃতিশক্তি দুর্বলতার কারণে তিনি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এরপর তার আপ্রাণ চেষ্টায় দুবছরে তার স্মুতিশক্তির অসাধারণ উন্নতি হয়। বাকি কথা তো সবারই জানা।

যে সকল সমস্যার জন্য ছাত্রছাত্রীরা ব্যর্থতা হয়:
০১.ভাষায় দক্ষতা অভাব: পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করতে হলে বাংলা ও ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে। এই দক্ষতা অর্জনের জন্য গ্রামারের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে। বেশির ভাগ গবেষণা হতে দেখা যায় ছাত্র-ছাত্রীরা গ্রামারে যেমন দুর্বল হয় তেমনি তারা এ বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে ভয় পায়। একে মানসিক দুর্বলতা বলা যায়। এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য একজন ভাল শিক্ষকের পরামর্শ নিতে হবে এবং নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যেতে হবে। নির্ভুল বানান, সুন্দর ও ঝকঝকে খাতা উচ্চনম্বরের নিশ্চয়তা দেয়।

০২. লেখাপড়ায় লেগে না থাকা: জীবনে যা করনা কেন, তার পিছনে লেগে থাকতে হবে।তোমার পড়াশুনার বিভিন্ন সমস্যাগুলো চিহ্নিত করো এবং অন্যরা কিভাবে তার সমাধান করেছে তা থেকে ধারণা নিতে পার। পড়াশুনাকে ভালবাস দেখবে সফলতা আসবেই ইনশাআল্লাহ।

০৩. না বুঝে পড়া ও লিখা: “১০০ বার অমনোযোগী হয়ে পড়ার চেয়ে ১ বার বুঝে পড়া উত্তম আর ৩০ বার বুঝে পড়ার চেয়ে ১ বার লিখা উত্তম।” যা পড়না কেন তা আবার লিখবে।মনে রাখবে অতিমূল্যবান ব্রেনের চেয়ে ৫ টাকার কলম অনেক বেশি মূল্যবান।
০৪. শিক্ষকের উপদেশ মেনে না চলা : তোমরা সবর্দা শিক্ষকের উপদেশ মেনে চলবে শিক্ষক তোমার গুরুজন এবং অভিজ্ঞব্যক্তি তিনি জানেন কিভাবে লেখাপড়া করলে সফলতা অনিবার্য।

০৫. দলগত ভাবে লেখা পড়া করা অভাব: লেখাপড়া সহজ ভাবে মনে রাখা এবং দীর্ঘস্থায়ী করার একটি পরীক্ষিত পদ্ধতি হল গ্রুপ স্টাডি বা দলগতভাবে লেখা পড়া করা। একে ডিসকাস থেরাপিও বলা হয়। লেখাপড়ায় সফলতা অর্জনের জন্য এ পদ্ধতি খুবই কার্যকর। তোমার সহপাঠীদের সাথে দলবদ্ধ হয়ে যে কোন কঠিন বিষয় সহজেই আয়ত্ত করতে পার।
০৫ ভাল নোট সংগ্রহ না করা: “ভাল ছাত্র মানে ভাল নোট, ভাল নোট মানে ভাল পরীক্ষা, ভাল পরীক্ষা মানে ভাল রেজাল্ট।” উন্নত নোট সংগ্রহের জন্য শিক্ষকের গাইডলাইন, ভাল বই ও ভাল ছাত্রদের নোট সংগ্রহ করা যেতে পারে।

০৬: ইতিবাচক চিন্তা করে না : “ইতিবাচক চিন্তা সমস্যার সমাধান দেয় ।” হতাশ না হয়ে, সব সময় ইতিবাচক চিন্তা কর। তোমার চেষ্টা ও বিশ্বাস তোমাকে ইতিবাচক লেখাপড়ার দিকে ধাবিত করবে।

০৭. রুটিনহী মাফিক জীবন পরিচালনা: বিশৃঙ্খল জীবন ব্যবস্থায় কখনো সফলতা আসেনা। তোমাকে সুনির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করে সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করতে হবে। রুটিন কয়েক ধরনের হতে পারে, যেমন- স্কুলের রুটিন, গৃহশিক্ষকের রুটিন, বাড়িতে পড়ার রুটিন, খেলাধুলার রুটিন, অবসরকালীন পড়ার রুটিন ইত্যাদি।
০৮. বিশ্রামহীন লেখাপড়া করা: তুমি কি ভেবে দেখেছ, বছরের পর বছর কিভাবে হৃৎপিণ্ড অক্লান্তভাবে তোমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে?আসলে হৃৎকম্পনের প্রতিবারই সে বিশ্রাম নেয়, তাই সে কখনো ক্লান্ত হয়না। তোমাকেও এপদ্ধতি অনুসরণ করে সফল হতে হবে। অর্থাৎ পড়াশুনা করলে যথেষ্ট শারীরিক ও মানসিক শক্তি ব্যয় হয়। পড়ার ফাঁকে ফাঁকে ক্ষুধা লাগতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণের খাবার গ্রহণ ও বিশ্রাম নিতে হবে।

০৯. সকল বিষয়কে সমান গরুত্ব না দেয়া : বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় A+ পেতে হালে প্রতিটি বিষয়ে সমান ভাবে দক্ষ হতেহবে।তাই কেবল ইংরেজি ও অংক বিষয়ে বেশি সময় দিতে গিয়ে অন্যান্য বিষয়ের কথা ভুলে যেয়না।

১০. পড়ালেখার সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন না : ছাত্র জীবনে ভাল ফলাফল করতে হলে সঠিক নিয়মে অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হয়। পড়া-শোনার ব্যাপারে কৌশলি ও নিয়ম মেনে চলতে হয়।Robinson অধ্যয়নের শ্রেষ্ঠ নিয়মা বলি প্রণয়ন করেছেন। তার পদ্ধতিকে বলা হয় S Q 3 R পদ্ধতি। এর পূর্ণরূপ হল Survey(জরিপকর), Question(প্রশ্নকর), Read(পড়), Recite(আবৃত্তিকর), Review(পুনরায়স্মরণকর)। অধ্যয়নকালে এই কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করলে অবিশ্বাস্য ফলাফল পাওয়া যায়।

লেখক-নাজমুল হক,বি এস এস (সম্মান) এম এস এস ( সমাজকল্যাণ), ঢাবি।

একই ধরনের আরও সংবাদ