অধিকার ও সত্যের পক্ষে

ফুটপাতে অস্বাস্থ্যকর খাবার নিয়ন্ত্রণ হোক

রাস্তার পাশে ধুলোবালি উড়ছে প্রতিনিয়ত। আর এখানেই খোলা আকাশের নিচে বসতে শুরু করেছে শীতের পিঠার দোকান। আবার সারা বছর জুড়েই রয়েছে নানা বাহারী সাজের মুখরোচক ফুচকা, চটপটি, হালিম কিংবা বিভিন্ন ভাজাপুড়া খাবারের অস্থায়ী দোকান।  দুপুরের পর থেকেই এসব হকার প্রকৃতির দোকানগুলো বসতে থাকে রাস্তা কিংবা ফুটপাতের উপর।
আবর্জনাযুক্ত পরিবেশ এবং অস্বাস্থ্যকর প্রস্তুত প্রণালীতে তৈরি খাবার নাগরিকের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর। গাড়ি থেকে নেমেই হাতের কাছে এসব খাবারের দোকানে বিভিন্ন খাবার সহজেই পাওয়া যায় বলে পথচারি তা কিনে খায়।
আর তা খেয়ে বাড়ি অবধি পৌঁছাবার পূর্বেই পেটের ব্যথায় হাইপাওয়ার গ্যাস্ট্রিকের ক্যাপসুল কিনে খায় যা আরো বেশি ক্ষতিকর।  প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে।
  এই সব অস্বাস্থ্যকর দোকান রাস্তার উপর পসরা সাজিয়ে খাবারের নামে রোগসৃষ্টির পথ্য বিক্রি করছে যা জনসার্থে নিয়ন্ত্রণ হওয়া জরুরি।  স্বচেতন হতে হবে প্রতিটি মানুষকে স্বাস্থ্যঝুকি নিয়ে এসব খাবার গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।  মুখরোচক খাবার থেকে নিজেদের সরিয়ে রাখতে হবে।
সবথেকে কার্যকর ভ’মিকা রাখতে হবে প্রশাসনকে প্রয়োজনে আরো কঠোর হতে হবে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার ক্ষেত্রে।  সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে এসব খোলা খাবার যা ধুলাবালি যুক্ত তার বিক্রয় বন্ধ করতে হবে।
এই ব্যবসায়ের সাথে নিম্ন আয়ের মানুষ জরিত, খুব সহজ বলে এই কাজে চলে আসে। তাদের কষ্ট হয় জীবিকা উপার্জনে তাই অনেকেই বাধ্য হয়েও এই ধরণের দোকান স্থাপন করে ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ী হতে চেষ্টা করে।
প্রশাসন মাঝে মধ্যে মোবাই কোর্ট পরিচালনা করে এদের উঠিয়ে দেয়, জরিমানাও করা হয় তাদের, যারা এই সব অস্থায়ী দোকান বসানোর ব্যবস্থা করে।  মানবিক দিক থেকে বিবেচনা করলে এই অস্বাস্থ্যকর খাবারের ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনে কাজ করতে হবে প্রশাসনকেই।  শপিং সেন্টারগুলোর ভিতরের দিকে খাবারের দোকান করে সেখানে এসব ভাসমান হকারদের প্রতিস্থাপন করা যেতে পারে।
পৌর মার্কেট গুলোতেও এদের দোকানের ব্যবস্থা হতে পারে কিংবা হকার্স মার্কেট স্থাপন করেও স্থায়ী সমাধান করা যায়।  প্রতিটি ব্যস্ত জনপদে কর্তৃপক্ষ নজরদারি বাড়াবে এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রয় বন্ধ করবে জনস্বার্থে, এমনটাই প্রত্যাশা নাগরিকদের।
একই ধরনের আরও সংবাদ