অধিকার ও সত্যের পথে

বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল জ্ঞানের চর্চা হবে: রাবি উপাচার্য

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা কেনো জঙ্গিবাদের দিকে ঝুঁকে পড়ছে এ বিষয়টি নিয়ে এখন ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। দেশে জঙ্গিবাদ নতুন একটি সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে কিভাবে জঙ্গিবাদমুক্ত ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তোলা যায় এবং শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভূমিকা নিয়েকথা বলেছেন উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজানউদ্দিন। বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বাস ভবনে তাঁর সঙ্গে প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী কথা বলেছেন জাকির হোসেন তমাল। এখানে সেই আলাপচারিতা তুলে ধরা হচ্ছে।
প্রশ্ন: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জঙ্গিবাদ সম্পর্কে আপনার মত কি?
উপাচার্য: সন্ত্রাসের বিষয়টি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন নয়। জঙ্গি সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো আমরা শুনে আসছি। তবে গুলশান ও শোলাকিয়ার ঘটনা এবং সর্বশেষ কল্যাণপুরে গোলাগুলির পর জঙ্গিদের নিহত হওয়া। তাদের পরিচয় এবং লক্ষ্য সেটা আগের জঙ্গি তৎপরতা কিংবা ক্যাম্পাসের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড থেকে ভিন্ন।এখন একটা নতুন ধারা দেখা যাচ্ছে। উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানরা যুক্ত হচ্ছে বলেই যে এটাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে বিষয়টি এমন নয়। এই কথাটি আগে থেকেই শোনা যাচ্ছে যে, জঙ্গি তৎপরতায় যুক্ত হচ্ছে আমাদের শিক্ষকরা। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কেও এমন কথা শোনা গেছে।
প্রশ্ন:জঙ্গিবাদ দমনে শিক্ষামন্ত্রণালয় বা ইউজিসি থেকে কোনো নির্দেশনা আছে কি?
উপাচার্য: শিক্ষার্থীদের সচেতন হতে হবে। তারা যেন ভুল পথে পা না বাড়ায় সে দিকে খেয়াল রাখার জন্য শিক্ষামন্ত্রণালয় ও ইউজিসি থেকে বলা হয়েছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা তাদের বন্ধুরা কেউ বিপথে গেলে তারা যেন বিষয়টি খেয়াল করে।

প্রশ্ন: শিক্ষার্থীদের মনিটরিং করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে কি না?
উপাচার্য: আমাদের ছাত্ররা কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে, অনেক দিন ক্লাসে নেই, ‘ড্রপ আউট’ হয়ে যাচ্ছে। যারা জঙ্গি হচ্ছে তাদের সঙ্গে এসব শিক্ষার্থীদের একটা যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কিভাবে যোগাযোগ বৃদ্ধি করা যায় এই বিষয়টি নিয়ে আমি বিভাগ ও ইনস্টিটিউট প্রধানদের সঙ্গে বসবো (গত ৩ আগস্ট সিনেট ভবনে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে)। যেসব শিক্ষার্থী অনুপস্থিত তাদের বিষয়ে খোঁজ খবর নেব।

প্রশ্ন:জঙ্গিবাদ দমনে বিভাগগুলোর সিলেবাসে নতুন কিছু অন্তভূক্তির পরিকল্পনা আছে কি না?
উপাচার্য: এগুলো নতুন করে বলা হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে প্রতিটি সিলেবাসে অন্তভূক্ত করতে হবে। কিন্তু ভেতর থেকে যদি এই বিষয়গুলোকে জাগ্রত করা না হয় তাহলে উপর থেকে এটা খুব একটা কার্যকরী হয়না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মূল্যবোধ স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষা দিতে হবে।

প্রশ্ন: বিশ্ববিদ্যালয় হলগুলোতে শিক্ষার্থীরা কিভাবে নিজেদেরকে তৈরী করতে পারেন?
উপাচার্য: শিক্ষার্থীদের বিভাগ হলো পড়াশুনার জায়গা, আর বাসস্থানের জায়গা হল বা মেস। সেখানে শিক্ষার্থীরা কি পরিবেশে থাকে তা খবই গুরুত্বপূর্ণ। হলগুলো পরিচালিত হওয়ার কথা ছাত্র-ছাত্রীদের দ্বারাই। তাদের সাহায্য করার জন্যই আছে প্রভোস্ট, আবাসিক শিক্ষক ও হলের অফিস। হলে শিক্ষার্থীরা কিভাবে খাবে, কি বাজার হবে এবং কিভাবে রান্না হবে তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব তাদের। আসন বন্টনের বিষয়টিও শিক্ষার্থীদেরকে সঙ্গে নিয়ে হবে। হলটি শিক্ষার্থীদের বাড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমরা সেগুলো হারিয়ে ফেলেছি।

আমরা হলে থাকতে হলে একজন ম্যানেজার নির্ধারণ করে তার কাছে টাকা জমা দিতাম। সেই টাকা দিয়ে বাজার করে খাওয়া হতো। হল ছিল একটা অফিসাল মেস। মেস ম্যানেজারের সঙ্গে হলের কর্মচারীরা বাজারে যাবে। ওই ম্যানেজারের পুরো মাসের খরচ ফ্রি করা থাকবে। হল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলার ব্যবস্থা করা যায়। শিক্ষার্থীদেরকেই এসব কাজে উদ্যোগ নিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক কর্মীদের মহড়া দেয়ার জায়গার অভাব আছে এটা ঠিক। দীর্ঘ দিন এটার কোনো অস্তিত্ব ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসি পরিত্যক্ত ছিল। ওই স্থানকে যদি এখন সাংস্কৃতিক জোন হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। টিএসসিসির পাশে কফি শপ হচ্ছে, পাশেই কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন রয়েছে।

প্রশ্ন: বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিপথগামী হচ্ছে কেনো?
উপাচার্য:বিশ্ববিদ্যালয় কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়। কেউ যদি ধর্মীয় মোঁড়কে বিশ্ববিদ্যালয়কে ঢেকে ফেলতে চায় তাহলে বুঝতে হবে এটা আর বিশ্ববিদ্যায় থাকলো না। এটা জ্ঞান চর্চার অন্তরায় হয়ে দাঁড়ালো। এখন সেই আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় হলো জ্ঞান চর্চা ও যুক্তি-বুদ্ধির জায়গা। যেখানে পরস্পর তর্ক হবে, গবেষণা হবে, নতুন জ্ঞান অন্বেষণ হবে ও জ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ করা হবে। এটা যদি না হয় তাহলে তা বিশ্ববিদ্যালয় নয়। কিন্তু আমরা যদি এমন বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্র দেখি যেখানে প্রশ্ন করা যাবে না, ধর্মের বাহিরে কিছু থাকবে না। তাহলে এটা বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজ অগ্রগতির পরিপন্থী। এই বিষয়গুলো দীর্ঘ দিন চর্চার মধ্য দিয়ে তৈরী হয়েছে। যার মাধ্যমে বিপথগামিতা তৈরী হয়েছে আমাদের সন্তানদের ভেতরে।

আমাদের দেশে সব থেকে বেকারত্বের হার বেশি উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে। যারা কম শিক্ষিত সেএকটা কাজ করে খাচ্ছে। কিন্তু এমএ পাশ করা শিক্ষার্থী কিভাবে রিকশা চালাবে। সে তখন একটা ভালো চাকুরি চায়। চাকুরি না পেলে সে ঘুরে বেড়াবে। বিভিন্ন স্থানে আবেদন করে। হতাশায় ভোগে। তাদের মধ্যে থেকে কেউ জঙ্গি বা সন্ত্রাসী অথবা রাজনৈতিক ক্যাডার হয়।

প্রশ্ন: তরুণরা কি এখন সঠিক নির্দেশনা পাচ্ছেন?
উপাচার্য: আমাদের তরুণদের গাইড করার জন্য সঠিক সংগঠন ও নেতৃত্বের অভাব। বর্তমানে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫ হাজার ছাত্র-ছাত্রী আছে। তাদেরকে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে তাদের পেছনে কি শিক্ষার্থীদের সমর্থন আছে? আমরা শিক্ষার্থীদেরকে প্রস্তুত করতে পারছি না। এখনকার ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য মানবতাবী, জ্ঞানী ও দরদি শিক্ষকের অভাব। চারিত্রিক দূর্বলতাও এখানে বড় একটা বিষয় হয়ে দেখা দিয়েছে। কেননা, আমি যা বলি তা করি কিনা সেই বিষয়টি সন্তানরা দেখে। বাবা-মায়ের প্রতি অনাস্থা ও অশ্রদ্ধা সৃষ্টি হলে শিক্ষকের প্রতিও সৃষ্টি হতে পারে। কেননা শিক্ষক যা বলছেন তা করছেন কিনা।

প্রশ্ন:শিক্ষকরা অনেক দিন ধরেই বলে আসছেন, তারা ক্লাসে মুক্তবুদ্ধির চর্চা করতে পারছেন না। এ বিষয়ে আপনি কি মনে করছেন?
উপাচার্য: এই পরিবেশ এক দিনে সৃষ্টি হয়নি। দিনের পর দিন এগুলো দানা বেধেছে। অধ্যাপক রেজাউল করিম সিদ্দিকী হতাকান্ডে তাঁর ছাত্রদের জড়িত থাকার বিষয়টি সামনে আসার পর আমি কি আগের মতো ক্লাসে ওভাবে কথা বলতে পারবো? যে কথাগুলো মুক্তভাবে বলা উচিত।

প্রশ্ন:দেশের জঙ্গিবাদের উত্থান কিভাবে?
উপাচার্য: এদেশে জঙ্গিবাদ মূলত রাজনৈতিক। কেননা, এদেশে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। কতোগুলো নীতি-আদর্শ নিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ জীবন ও রক্ত দিয়েছে। ওই স্বাধীনতাকে তখনও কিছু কিছু মানুষ মেনে নেয়নি। তারপরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকান্ডের পর পুরো মুক্তিযুদ্ধের অর্জনটাকে ঘুরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এটার মধ্য দিয়ে একটা সাম্প্রদায়িক ভাবধারার রাজনীতি চালু করার চেষ্টা করা হয়েছে। যার মধ্যে দিয়ে আমাদের সমাজে এক ধরণের অস্থিরতা সব সময় ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে ধর্মের নাম করে দেশে এই যে জঙ্গি তৎপরতা এটা কি ধর্ম? এটাতো রাজনৈতিকভাবেই হচ্ছে। কাজেই এটা প্রধানত রাজনৈতিক। তারপরে পারিবারিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয়সহ নানাবিধ বিষয় যুক্ত হয়েছে। সেই সঙ্গে আমাদের সমাজের অবক্ষয়।

প্রশ্ন:আগের সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদ থেকে বর্তমানে ভিন্নতা কি আছে?
উপাচার্য:দীর্ঘ দিন ধরেই আমাদের দেশে জঙ্গি বা সন্ত্রাসবাদ চলে আসছে। তবে বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরের একটি সন্ত্রাসী বা জঙ্গি গোষ্ঠী আন্তর্জাতিক একটি রূপ নেয়ার চেষ্টা করছে।বাংলাদেশকে জঙ্গিরাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বে পরিচিত করতে চাইছে। আইএসসের পোশাকসহ বিভিন্ন ঘটনার আন্তর্জাতিক জঙ্গিসংগঠনগুলোর দায় শিকার তেমনটি মনে হচ্ছে। এখন জঙ্গি সম্পৃক্ততায় যুক্ত হচ্ছে যথেষ্ট মেধাবী, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতায় পারদর্শীরা। তারা জীবন-জীবিকার প্রশ্নে হতাশ হয়ে ওই পথে যায়নি। তাদের পারিবারিক সক্ষমতা যথেষ্ট।

প্রশ্ন: উচ্চবিত্তরা কি কারণে জঙ্গিবাদে যাচ্ছে?
উপাচার্য:ধর্মন্ধতার বিষয়টি উচ্চবিত্তের মধ্যে কাজ করে না। ধর্মের প্রতি অনুরাগ সবারই আছে। কিন্তু উচ্চবিত্তরা দেশে-বিদেশে যাচ্ছে নানা ধরণের মানুষের সঙ্গে মিশছে।এই ধরণের আরাম-আয়েশের জীবন ত্যাগ করে তারা হিংস্র বর্বর জীবন কেনো বেছে নিচ্ছে তা বিশ্লেষণ করা দরকার। নিশ্চয় তারা আদর্শগত কোনো জায়গায় একটা দিক্ষা লাভ করছে। সেই আদর্শগত জায়গাটা কোথা থেকে আসছে তা দেখা দরকার।

প্রশ্ন: সন্তানরা জঙ্গি হওয়ার পেছনে পরিবাবের দূর্বলতা কোথায়?
উপাচার্য:সন্তানরা জঙ্গিবাদে যুক্ত হওয়ার পেছনে আমাদেরমধ্যে একটা বড় ধরণের প্রজন্ম ঘাড়তি আছে। যেমন আমি আমার বাবা-মায়ের মতো চিন্তা করি না। নতুনরা সব সময় কিছু যোগ করে। কিছু উদ্ভাবন করে। এটা ছাড়া পৃথিবী এগুতো না।কিন্তু নব্বইয়ের দশকের পর আমাদের দেশেযোগাযোগের মহাসড়ক খুলে গেছে। এ কারণে মা-বাবার সঙ্গে সন্তানদের যে দূরত্ব তৈরী হয়েছে তা আগে কখনও ছিল না।শিক্ষক এবং বড়রাও আমাদের তরুণদের বুঝছে না।তাই বাবা-মা ও শিক্ষক এবং বড়রা সন্তানদেরকে সঠিক নির্দেশনা দিতে পারছে না। এখনকার সন্তানরা তাদের বড়দের থেকে অনেক বেশি কিছু শিখে গেছে।বড়দেরকে ছোটরা শেখাচ্ছে। সমাজে এমন কখনও ছিল না।আগে বাবা-মায়ের কাছে আমরা শিখলেও এখন তাঁরাই সন্তানদের কাছে শিখছে। অনেক শিক্ষক ও বাবা-মায়েরাসন্তানদের থেকে এই শিক্ষাটাকে গ্রহণ করতে চাইছে না।এই অবস্থায় সমাজে একটা বড় ধরণের অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে।

প্রশ্ন: শিক্ষকদের ক্ষেত্রে বিষয়টি কিভাবে দেখছেন?
উপাচার্য:একজন শিক্ষার্থী বুঝতে পারছে তার শিক্ষক কিভাবে পড়াচ্ছে এবং বিশ্বের অন্যান্য স্থানে কিভাবে পড়ানো হয়। ওই শিক্ষকের কাছে শিক্ষার্থীকে মাথা নত করেই চলতে হয়। শিক্ষক মাথা নত করে না। তিনি (শিক্ষক) অনেক বিষয় যে জানেন না সেটাও বুঝতে পারে না এবং স্বীকার করছে না। সে তার প্রভুত্ব নিয়ে আসছে। এইযে দ্বন্দ্ব,এটা এখন অনেক ছোট পর্যায়েও গড়িয়েছে।সন্তানদের প্রতি নীতিগত ভাবে কতোটুকু ক্ষমতা প্রয়োগ করা যায় তা না বুঝেই বাবা-মা ও শিক্ষকরা ক্ষমতার প্রয়োগ করছে। এসব বিষয় যে শুধু জঙ্গিবাদের জন্ম দিচ্ছে তা নয়,এটা নানাবিধ হতাশা, অপরাধ ও মাদকাশক্তের জন্ম দিচ্ছে।সমাজের অনেক ক্ষেত্রে এটা ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করছে।

প্রশ্ন:সামগ্রিক বিষয়ে কি করা যেতে পারে?
উপাচার্য: আগে দেশবাসি এবং বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রদায়কে দল-মত নির্বিশেষে এক হতে হবে। কেননা এখন যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা এসব জঙ্গি কাজে যুক্ত হচ্ছে। এই জঙ্গিবাদে মুষ্টিমেও কয়েকজন যুক্ত হচ্ছে এবং মদদ দিচ্ছে। তাদেরকে বাদ দিয়ে সবাইকে জঙ্গিবাদ দমনে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। এর বিকল্প কিছু নেই। আমাদের ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী যদি একত্রিত হয় তাহলে এখানে জঙ্গি থাকতেই পারে না।

একই ধরনের আরও সংবাদ