অধিকার ও সত্যের পথে

আজ বিশ্ব মশা দিবস

বিখ্যাত বিজ্ঞানী ডা. স্যার রোনাল্ড ১৯৮৭ সালে সর্বপ্রথম আবিস্কার করেন যে, ম্যালেরিয়া রোগের কারনই হলো স্ত্রী জাতীয় অ্যানোফিলিস মশা। এই গবেষণা করার জন্য তিনি কিছু সুস্থ মানুষের শরীরে এই ম্যালেরিয়ার জীবাণু প্রবেশ করার। তারপর তিনি দেখলেন সেই মানুষগুলো অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ডা. রোনাল্ডের এই বিশ্বখ্যিাত আবিষ্কারকে সম্মান জানিয়ে মূলত বিশ্ব মশা দিবস পালন করা হয়। মশা ম্যালেরিয়া ছাড়াও নানা ধরণের রোগের কারণও বটে। ডেঙ্গু জ্বর, চিকনগুনিয়া সহ বিভিন্ন রোগের কারন এ মশা।
প্রতি বছর ২০ আগস্ট বিশ্ব মশা দিবস পালিত হয়। ধারণা করা হয় যে, পৃথিবীতে ৩৫০০ প্রজাতির মশা রয়েছে যার প্রায় ১৭৫ টি দেখা যায় আমেরিকায়। তবে আশ্চর্য বিষয় হলো মানুষের শরীরের যত মশা কামড় দেয় তর সবই স্ত্রী মশা। রক্ত খেয়ে স্ত্রী মশা ডিম পাড়তে বসে। একটি স্ত্রী মশা একসাথে ৩০০ টি ডিম পাড়ে। কোথাও জমে থাকা পানিই হলো তাদের ডিম পাড়ার জন্য সবচেয়ে উত্তম স্থান। কমপক্ষে ১০ দিন পানিতে থাকার পর ডিম থেকে বাচ্চা মশা বের হয়। একটি স্ত্রী মশা কখনো কখনো ৮ সপ্তাহ পর্যন্ত বাঁচে এবং উপযুক্ত পরিবেশে প্রতি তিন দিন অন্তর অন্তর তারা ডিম পাড়তে পারে। ককনো কখনো কারো শরীরে বেশী মশা বসতে দেখা যায় তার কারণ হলো মশা উত্তাপ পছন্দ করে। তাই যে শরীর থেকে তাপমাত্রা বেশী ছড়ায় সেই শরীরে মশা বেশী বসে। মশা খুব দ্রæত উড়তে পারে তবে বেশী উঁচুতে উড়তে পারে না।মশা খুব ছোট প্রাণী হলেও একে ভয়ংকর প্রাণী বলে আখ্যায়িত করা হয়। ম্যালেরিয়ার কারণ হিসেবে এনোফিলিস মশাকে চিহ্নিত করা হলেও আমরা এর হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছি না। তাই এনোফিলিস মশার ভয়াবহতা এবং এর প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার জন্য ২০ আগস্ট বিশ্ব মশা দিবস পালন করা হয়।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো