অধিকার ও সত্যের পথে

গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রারের সাথে শিক্ষাবার্তা ডট কম পত্রিকার খুলনা ব্যূরো চীফের সৌজন্য সাক্ষাৎ

গত ১০/০৮/১৭ ইং তারিখ গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে যান অধিকার ও সত্যের পক্ষে দেশের একমাত্র অনলাইন পত্রিকা ‍শিক্ষাবার্তা ডট কম পত্রিকার খুলনা ব্যুরো চীফ মো: মোজাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিন মহোদয়ের অনুপস্থিতিতে কথা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার প্রফেসর ড. নূরউদ্দিন আহম্মেদ স্যারের সাথে।
রেজিষ্ট্রার স্যারের সাথে আলাপচারিতায় স্যার তার ব্যক্তিগত জীবনী তুলে ধরেন। লেখাপড়া জীবন শেষ করে তিনি পিএসসি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে ১৯৮১ সালের এপ্রিলে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় যোগদান করেন। দুই বছর পর তিনি সরকারী রাজেন্দ্রকলেজ ফরিদপুরে সহকারী অধ্যাপক হিসাবে যোগদান করে দীর্ঘ ১৩ বছর ৬ মাস চাকুরী করেন। ১৯৯৭ সালে সরাসরি নিয়োগ পান বগুড়া আজিজুল হক ডিগ্রী কলেজে সহযোগী অধ্যাপক হিসাবে। সেখানে ৪ বছর ৯ মাস চাকুরী করার পর তিনি ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলী হন। ২০০৪ সালের নভেম্বর মাসে অধ্যাপক হিসাবে পদোন্নতি পান এবং ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৫ সালে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপান্তরিত হয়। ২০১০ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত তিনি ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন। এরপর তিনি বগুড়ার আজিজুল হক কলেজে সেপ্টেম্বর মাসের ২ তারিখে পুনরায় যোগদান করেন। ১বছর ২ মাস পর তিনি ইডেন মহিলা কলেজে যোগদান করেন। ২০১৪ সালের এপ্রিলে তিনি পি.আর.এল এ যান। ২০১৫ সালে তিনি অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে রেজিষ্ট্রার হিসাবে যোগদান করেন। স্যারের দুই মেয়ে-বড় মেয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমপিএ ডিগ্রী অর্জন করেছে। ছোট মেয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের ছাত্রী। তার দেশের বাড়ি ঢাকার মুন্সীগঞ্জে।
প্রসঙ্গত বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়টি গোপালগঞ্জ জেলার গোবরা মৌজায় প্রায় ৫৫ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন হয় ১৩ জুলাই ২০০১ সালে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার কর্তৃক ২১ জুলাই ২০০১ সালে প্রকল্প স্থগিত করা হয়। চার দলীয় জোট সরকার কর্তৃক ১৫ এপ্রিল ২০০২ সালে প্রকল্প বন্ধ ঘোষনা করা হয়। ২০০৯ সালে প্রকল্প পুনরায় চালু করা হয়। ২০১০ সালের ২০ জানুয়ারী এসআরও জারি হয়। প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগ হয় ২০১০ সালের ১৪ ডিসেম্বর। শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ২০১১ সালের ২৬ ডিসেম্বর। প্রধানমন্ত্রী একাডেমিক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ২০১৩ সালের ১৯ জানুয়ারী। ২য় ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগ করা হয় ২০১৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারী। অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষদ ৭টি, বিভাগ ২৩ টি, ইনস্টিটিউট ২টি। অত্যান্ত মনোরম পরিবেশে শহরের কোল ঘেষে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী সংখ্যা পড়াশোনা ফলাফল সন্তোষজনক।

একই ধরনের আরও সংবাদ