ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭, ৮ ফাল্গুন, ১৪২৩

ইমেইলঃ shikshabarta@gmail.com

ধর্ষণের শিকার গারো শিক্ষার্থীর শারিরীক অবস্থা আশংকাযুক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক | জানুয়ারি ৮, ২০১৭ - ১০:০০ পূর্বাহ্ণ


ওমর ফারুক সুমন, হালুয়াঘাট(ময়মনসিংহ) থেকেঃ গত থার্টি ফার্স্ট নাইটে গোবরাকুড়ার রমজান আর গিয়াসুদ্দিনের দ্বারা নির্মমভাবে পাশবিক নির্যাতনের শিকার, গণধর্ষণের শিকার নাবালিকা গারো মেয়েটি হাসপাতালের বেডে শুয়ে চরম উৎকণ্ঠায় আঁতকে উঠছে, ভয়ে কারোর সাথে কথাও বলছে না। বর্বর নির্যাতনের ফলে নাবালিকা মেয়েটির শারীরিক ও মানসিক অবস্থা খুব খারাপ হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে তার মাথায় সিটিস্ক্যানও করা হয়েছে। চিন্তায় ভেঙ্গে পড়েছেন ধর্ষিতা মেয়েটির পরিবার। নির্যাতিতার পারিবারিক সুত্রে জানা যায় এই তথ্য।
ধর্ষিতা রাংড়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্রী। তার বাড়ি উপজেলার উত্তর গোবড়াকুড়া গ্রামে। ১ জানুয়ারির শুরুর প্রারম্বেই রাত সাড়ে ১২টার দিকে কিশোরিকে প্রতিবেশী ভাই পরিচয়ে ফোন করে কীর্তন অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে যায় একই গ্রামের ‘বখাটে’ যুবক রমজান ও গিয়াস উদ্দিন ওরফে গেসো। মেয়টির বরাতে স্বজনরা আরও বলেন, বাড়ি থেকে বের হওয়ার পরই তারা মেয়েটির মুখ চেপে ধরে গ্রামের পাশে দাবুয়া নদীর তীরে নিয়ে যায়। ওই সময় বাধা দিলে তার মাথায় আঘাত করে এবং তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যায় তারা। রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে এলে রোববার তাকে প্রথমে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

অবস্থার অবনতি হলে রাতেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ময়মনসিংহ মেডিকেলের গাইনি বিভাগের ২ নম্বর ইউনিটের প্রধান ডা. কোহিনুর আক্তার বানু জানান, ভর্তি করার সময় মেয়েটির শরীরের নিম্নাঙ্গ রক্তাক্ত ছিল। চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ফরেন্সিক রিপোর্টের জন্য পরীক্ষা করানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ‘ধর্ষণের আলামত’ পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। ডা. কোহিনুর আরও জানান, তার মাথার সিটিস্ক্যান করা হয়েছে। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে মাথায় রক্তক্ষরণ পাওয়া গেছে। শারীরিক নির্যাতনের এক পর্যায়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়েছিল বলছেন এই চিকিৎসক। এ ঘটনায় হালুয়াঘাট থানায় মামলা হলেও এখনো কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। ###

শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য দিন