ঢাকা, ২৩ Jun, ২০১৭, ৯ আষাঢ়, ১৪২৪

ইমেইলঃ shikshabarta@gmail.com

উত্তরায় সংঘর্ষে স্কুল ছাত্র খুন

নিজস্ব প্রতিবেদক | জানুয়ারি ৭, ২০১৭ - ৮:৩৯ পূর্বাহ্ণ


জাফর উল্লাহ শরাফাত।।  গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের ১৭ নম্বর রোডের লুবানা হাসপাতালের অদূরে এ সংঘর্ষ রাজধানীর উত্তরায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আদনান (১৫) নামে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। নিহত আদনান উত্তরা মাইলস্টন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্র ছিল। এ ছাড়া গতকাল সকালে পুরান ঢাকার চকবাজার পূর্ব ইসলামবাগের একটি বাসা থেকে আবুল হোসেন বাবু (২৬) নামে এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি বাবুকে হত্যা করা হয়েছে।
পুলিশের উত্তরা বিভাগের ডিসি বিধান ত্রিপুরা সাংবাদিকদের জানান, একটি স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে প্রেমঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আদনান নিহত হয়েছে। লাশ রাজধানীর উত্তরার লুবানা জেনারেল হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের প থেকে একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও তিনি জানান।

বাবুর ভাই বাদল মিয়া জানান, বাবু পরিবারসহ পূর্ব ইসলামবাগ এলাকায় থাকত। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সোয়ারীঘাট যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়। এরপর রাত সাড়ে ১০টায় বাবুর মোবাইল থেকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি ফোন করে সোয়ারীঘাট থেকে তার লাশ নিয়ে আসতে বলেন। তারা সেখানে গিয়ে একটি রিকশা ভ্যানের ওপর বাবুকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তখন তাকে উদ্ধার করে সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গত বৃহস্পতিবার রাতেই তারা লাশ বাসায় নিয়ে যান। পুলিশ ঘটনা জানতে পেরে গতকাল সকালে লাশটি বাসা থেকে উদ্ধার করে বিকেলে ঢাকা মেডিক্যাল মর্গে পাঠায়। বাবু পুরনো ড্রামের ব্যবসা করতেন। সোয়ারীঘাটে বাবু ট্রেডার্স নামে তার একটি দোকান রয়েছে। বাদলের দাবি-তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। নুর মোহাম্মদ নামে এক ড্রাম ব্যবসায়ীকে তিনি সন্দেহ করছেন। তাকে গ্রেফতার করলেই সব বেরিয়ে আসবে বলে তার দাবি।
চকবাজার থানার এসআই জিহাদ দেওয়ান জানান, তিনি লাশের সুরতহাল সম্পন্ন করেছেন। নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তার মুখে অ্যালকোহলের গন্ধ পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের পরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। মৃত জাহাঙ্গীরের স্ত্রী রুমা জানান, তার স্বামী দীর্ঘ দিন ধরে মৃগী রোগী। গতকাল দুপুরে কদমতলীর মুনশীবাগের খালেক রোড এলাকায় একটি বিলে নামতে গিয়ে সে পানির নিচে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। জাহাঙ্গীরের বাড়ি বরগুনার আমতলীতে। সে পরিবারসহ মুনসিবাগে থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ করত।

শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য দিন

Mobile Version